শিল্প কারখানায় প্রয়োজনের অর্ধেক গ্যাসও পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। আর আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চাপ না থাকা নিত্যদিনের সমস্যা।
সংকট নিরসনে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য এলপিজি আর গাড়িতে জ্বালানী তেল ব্যবহারের পরামর্শ বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রীর।
চট্টগ্রামে শিল্পকারখানা ও আবাসিক গ্রাহকদের মোট গ্যাসের চাহিদা ৪৫০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট, সেখানে সরবরাহ মাত্র ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।
কাফকো চালু থাকলে গ্যাস সংকট আরো তীব্র হয়ে উঠে। ৯০ সালের পর থেকে চট্টগ্রামে কোনো কারখানায় নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামে শিল্পায়ন ও জ্বালানী সংকট নিয়ে ঢাকাস্থ চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সংগঠন সিজেএফডির সেমিনার বিদ্যুৎ ভবনে।
বিদ্যুত ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামী পাঁচবছরে গ্যাস ও বিদ্যুত সংকট নিরসনে যেসব প্রকল্প নেওয়া হবে তার বেশিরভাগই চট্টগ্রাম ভিত্তিক ।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হয়তো সাময়িক ভাবে চট্টগ্রামবাসীর কষ্ট হচ্ছে, তবে আগামী দুবছরের মধ্যে এ কষ্টটা আর থাকবে না।
গ্যাসের ব্যাপারে নসরুল হামিদ বলেন, গ্যাসের ক্ষেত্রেও আমাদের পাকাপোক্ত চিন্তা ভাবনা করা আছে। আবাসিক খাতে যদি আমরা এলপিজিকে ব্যবহার শুরু করতে পারি, সিএনজিকে যদি আমরা ধীরে ধীরে কমিয়ে নিয়ে আসতে পারি, তবে সেই গ্যাসকে আমরা আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরিয়ে দিতে পারবো।
আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশের জন্য চট্টগ্রামকে গ্রোথ সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে আর তখন এর জ্বালানী সংকট সমাধানের বিকল্প নেই বলে মনে করেন জ্বালানী ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা।






