বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডির ২০ সদস্যের দল। ব্যাংকটির সাইবার নিরাপত্তার দুর্বলতার কারণে রিজার্ভ খোয়া গেছে বলে প্রাথমিক ধারণা সিআইডির। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করেছে তদন্ত দল।
হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে রিজার্ভ চুরির বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মানি লন্ডিারিং আইনের ওই মামলাটি রাতেই সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফরেনসিক আইটি ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটসহ সিআইডির ২০ সদস্যদের তদন্তদল দিনভর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে। পরে সাংবাদিকদের কাছে প্রথম দিনে তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরেন পুলিশ সুপার আব্দল্লাহ হেল বাকী।
তিনি বলেন, ব্যাংকের যারা যারা এ বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত,বিষয়টি সম্পর্কে জানেন বলে আমাদের মনে হয় উনাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি এখনও চলমান। যাকেই আমাদের সন্দেহ হবে তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করবো। সে বর্তমান বা সাবেক যে পদেই থাকুন না কেনো।
সিআইডি জানিয়েছে এ ঘটনার তদন্তের জন্য ইন্টারপোলসহ আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থার সাথে এরই মধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে।
আব্দল্লাহ হেল বাকী আর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে যতো কম্পিউটার আছে এবং সার্ভারে যেখান থেকে পেমেন্ট ইনিষ্ট্রাকশনটা পাঠানো হয় সবগুলোতে ইমেজিং ব্যাবস্থার মাধ্যমে নিয়ে আসতেছি। আমি এখনও নিশ্চিত না সেখানে কতটুকু দুর্বলতা ছিলো।
কিন্তু এখান থেকে মেসেজ গেছে বলে বলা হচ্ছে সেহেতু হতেই পারে এখান থেকে হ্যাক করার ঘটনা ঘটছে বা কোন প্রকার কম্প্রোমাইজ হয়েছে। যেটাই হোক সেটাই দুর্বলতা। যেখানে যেভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব; প্রচলিত আইনে সেভাবে করা সম্ভব তার সব গুলোই করা হবে।
রিজার্ভের অর্থ খোয়া যাওয়ার সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।







