বিআরবি কেবলস বিপিএল সিজন থ্রী’র ২৮তম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে জয়ের জন্য বরিশাল বুলসের সামনে লক্ষ্য ছিলো ১৩৬ রান। বিপিএলের এবারের আসরে কম স্কোরের ম্যাচগুলোর বিবেচনায় লক্ষ্য একেবারে কম না। তবে যে দলে ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং ‘দানব’ ক্রিস গেইল রয়েছেন, তাদের জন্য এ লক্ষ্য কোনো ব্যাপারই নয়।
৪৭ বলে ৯২ রানের অতিমানবীয় ইনিংসটি খেলার পথে ৬টি চার ও ৯টি ছক্কা মারেন গেইল। এই ইনিংসের ফলে ১৫ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করে জয়ের বন্দরে পৌছে যায় বরিশাল। শেষ দুই বলে দুইটি বিশাল ছয় মেরে দলকে জয় এনে দেন ক্যারিবিয়ান তারকা। চিটাগং ভাইকিংসের তাসকিন আহমেদ একটি উইকেট লাভ করেন।
উপস্থিত দর্শকের সাথে বরিশাল বুলসের সমর্থকেরাও নিশ্চয়ই আফসোসই করছেন। লক্ষ্যটি যদি আরেকটু বড় হতো তাহলে গেইলের সেঞ্চুরিসহ তাণ্ডব চালানো ইনিংসটিও আরও কিছুক্ষণ উপভোগ করা যেতো। ভাবলেশহীন, নির্বিকার ভঙ্গীতে একের পর এক বিশাল সব ছক্কা মেরেছেন গেইল। এবারের আসরে তৃতীয়বার খেলতে নেমেই গেইলের কাঙ্ক্ষিত রূপটি দেখতে পেলো ক্রিকেটভক্তরা।
তবে চিটাগং ভাইকিংসের বোলাররা নিশ্চয়ই তাদের দলের স্কোর বড় না করার জন্য ব্যাটসম্যানদের মনে মনে ধন্যবাদ দিয়েছেন। গেইল যেভাবে তাদের নির্দয়ভাবে পিটিয়ে সীমানা ছাড়া করছিলো তাতে তাদের দুঃস্বপ্নের ক্ষণটি দীর্ঘ না হওয়ার অবদানটি তো ব্যাটসম্যানদেরই। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন সেই গেইল।
এরআগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চিটাগং উদ্বোধনী জুটি এনামুল হক ও অধিনায়ক তিলকরত্নে দিলশানের সর্বোচ্চ ২৮ রান এবং ৫২ রানের জুটির পর উমর আকমলের ২৫, আসিফ আহমেদের ১৭ রানে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান করে। ইতিমধ্যেই আসর থেকে বাদ পড়া চিটাগং টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় কোন ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হয়।
বরিশাল বুলসের কেভিন কুপার এবং মুহাম্মদ সামি দুইটি করে উইকেট নেন। এছাড়াও আল আমিন হোসেইন, সোহাগ গাজি এবং মাহমুদুল্লাহ একটি করে উইকেট নেন।






