সোমবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার বিকেল থেকে আবার শুরু হয়েছে সারাদেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল। দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার বিকেলের দিকে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন। শ্রমিক দ্বন্দ্বের জের ধরে রাজধানীর গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকে সারাদিন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ও ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জের ধরে সোমবার মধ্যরাত থেকে বন্ধ রাখা হয় ঢাকার সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে বাস চলাচল।
রাজধানীর বঙ্গভবনের পূর্ব দিকে একটি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে সোমবার দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতেই এই পরিবহন ধর্মঘট বলে জানান শ্রমিক ইউনিয়ন সংশ্লিষ্টরা।
তিন দিনের মধ্যে ওই কার্যালয় আবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নকে ফেরত দেয়া হবে, প্রশাসনের এমন আশ্বাসে বিকেল ৪টার পর দূরপাল্লার বাস চলাচল শুরু হয়।
এই পরিবহন ধর্মঘটের ফলে বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ। মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেটগামী অনেক যাত্রীকে মঙ্গলবার সারাদিন সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কিন্তু কোনো বাসই সেখান থেকে ছেড়ে যায়নি।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চল থেকেও সায়দাবাদের উদ্দেশ্যে কোনো বাস ছেড়ে আসছে না বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাস ধর্মঘটের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজরা অফিস দখল করে নেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল ওদুদ নয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক করম আলী। তারা অবিলম্বে অফিস দখলমুক্ত করে ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের কাছে বুঝিয়ে দেয়ার দাবি জানান।








