গুলশানের ঘটনা খুব শিগগিরই কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে মনে করেন বাংলাদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকরা। এই ঘটনা মেনে নেয়ার মতো না হলেও পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা তাদের। আর সাধারণ থেকে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে কারা তরুণদের ভয়াবহ সন্ত্রাসী বানালো তাদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
সকাল থেকে নিহতদের স্মরণ করতে গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের হলে আর্টিজান রেস্টুরেন্ট প্রাঙ্গণে এসেছিলেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
এদের মধ্যে পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ থাকা দু’জন আমেরিকান বলেছেন, তাদের হৃদয়ে এখন রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাদের বিশ্বাস খুব দ্রুতই এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। তারা বলেন, আশা করছি আবার বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও ভাতৃসুলভ ভালোবাসা ফিরে আসবে। আশা করি বাংলাদেশ এসবের উর্দ্ধে উঠতে পারবে এবং আবার সেই সেরা দেশ হয়ে উঠতে পারবে।
গুলশানের হলে আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা গত শুক্রবারের। এরই মধ্যে ৫ জঙ্গির পরিচয় দিয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে নিবরাস ইসলাম ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ। অন্যদিকে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কোচিংয়ে যাবার কথা বলে মীর সামেহ মোবাশ্বের বনানীর ডিওএইচএসের বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। অন্যরাও নিখোঁজ মাত্র কয়েকমাস আগে।
এত অল্প সময়ে দুধর্ষ সন্ত্রাসী হয়েছে কাদের সংস্পর্শে সে প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুন্সি।
টিপু মুন্সি বলেন, আমরা সবাই শান্তিপ্রিয় মানুষ। কিন্তু কারা যেন আজ অবস্থা বিষাক্ত করে তুলেছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। কারা এভাবে তাদের পরিবর্তন করলো সে ব্যাপারে সবাইকেই সচেতন হতে হবে। কারা এর পেছনে তা খুঁজে বের করাও জরুরি হয়ে পড়েছে। সরকারও এর বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই খুব শক্ত অবস্থান নিবে।
ভয়াবহ এই জঙ্গি হামলার কারণে করুণ এক নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে গুলশানে। শুধু হলে আর্টিজান নয়, সব রেস্টুরেন্টেই রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা।









