শুক্রবার রাতে হোসেনী দালান চত্বরে সেখানে গ্রেনেড হামলায় হতাহতের ঘটনা এক দিন পর সেখানে আলামত খোঁজেন ছায়া তদন্তকারী র্যাব কর্মকর্তারা।
গোরস্থানের ভেতর থেকে কিছু গুরুত্বপুর্ণ আলামত সংগ্রহ করে দশম ব্যাটালিয়ানের সিও বলেন তাদের ধারনা কবরস্থানের ভেতর থেকে একাধিক গ্রেনেড ছোড়া হয়ে থাকতে পারে।
র্যাব দশম ব্যাটালিয়ান কমান্ডিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, যে দুটো জিনিস অবিস্ফোরিত অবস্থায় পাওয়া গেছে তা অনেকটাই হালকা।ওই হালকা বস্তুগুলো উঁচু জায়গা কিংবা দূর থেকে নিক্ষেপ করলে আসবে না।
কমান্ডিং অফিসার আরো বলেন, ধারণা করছি এখানে ব্যাপক লোকের সমাগম হয়েছিল। প্রায় ৫০ হাজারের বেশী লোকের সমাগম হয়েছিল, লোকের তিল ধারণের জায়গা ছিল না, সাধারণ লোকের সঙ্গে তারা ঢুকে ভেতরের খুব কাছাকাছি জায়গা থেকে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
হামলাকারীরা কি সিসি ক্যামেরার বাইরের অংশ বেছে নিয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, হামলার স্থানে সিসি ক্যামেরা ছিল কি ছিল না, সেটার কাভারেজ ছিল কিনা, ওটা হামলাকারীদের পরিকল্পনায় ছিল, তাদের গ্রেফতার করতে পারলে আমরা বলতে পারব।
তিনি আরো বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কিছু সন্দেহজনক চলাফেরা দেখা গেছে। সেখান থেকে হয়তো কিছু পাওয়া যেতে পারে, আবার না-ও পাওয়া যেতে পারে।
যে এলকায় হামলায় হামলা হয়েছে সেই এলাকা কি সিসি ক্যামেররা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিলো কিনা এমন প্রশ্নে র্যাব কর্মকর্তা বলেন, কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে এখানে বারোটি ক্যামেরা রয়েছে, যা দিয়ে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রিত থাকে। তবে সিসি ক্যামেরা থেকে আমরা এখনো মূল হামলাকারীকে শনাক্ত করতে পারিনি।







