এনপিকে গুটি ইউরিয়ার সার ব্যবহার করে সফল হয়েছেন যশোরের ঝিকরগাছার গদখালীর পটল চাষীরা। এখন বেশীর ভাগ ক্ষেতেই প্রচলিত দানা ইউরিয়ার পরিবর্তে তারা ব্যবহার করছেন এনপিকে গুটি ইউরিয়া। এতে খরচ কম ও ফলন ভালো হওয়ায় আগ্রহী হচ্ছেন আশপাশের জেলার চাষীরাও।
চলতি বছর ঝিকরগাছা উপজেলায় ১ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু পটল চাষ হয়েছে ২শ’ ৮০ হেক্টর জমিতে।
এসব পটল ক্ষেতে এনপিকে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করে বেশ লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। এনপিকে গুটি ইউরিয়া দেয়া ক্ষেতে পটলের ফলন বেশী এবং মানও ভালো বলে জানান তারা।
কৃষকরা বলছেন, সবজি ক্ষেতে, পটল ক্ষেতে এই গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করে দেখছি ধানের চেয়ে এর ফলন ভালো হচ্ছে। আগে সবজি ও পটল চাষে সার ব্যবহার করতে করে প্রায় অনেক টাকা চলে যেত আর এখন এ ইউরিয়া ব্যবহারে সেই খরচ কমে এসেছে।
সবজি ক্ষেতে এনপিকে গুটি ইউরিয়া ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে আন্তর্জাতিক সার উন্নয়ন সংস্থা আইএফডিসি।
ঝিকরগাছা আইএফডিসি ফিল্ড মনিটরিং অফিসার সঞ্জিত চন্দ্র বর্মন বলেন, আগে একবার সেচ দিলে একবার সার দিতে হত, আর এখন একবার এনপি গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করার ফলে দুই মাস তিন মাস পর্যন্ত কৃষকরা সার ব্যবহার করছে না। এতে দেখা গেল পটলের সাইজ, গাছের রং এবং ওজনে খুব ভালো হয়।
কৃষি বিভাগ বলছে শুধু পটল ক্ষেতে নয় সব ধরণের সবজিতে এখন এনপিকে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঝিকরগাছার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, এই ইউরিয়া ব্যবহার করায় দেখা যাচ্ছে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কৃষকরা বেশ লাভবান করা হচ্ছে। যেখানে ইউরিয়া দেয়া হয়েছে সেখানেই পটলগুলোর আকার-আকৃতির চেহারা সবকিছুই একটু ব্যতিক্রমী হয়েছে।
এ জন্য গুটি ইউরিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতে আইএফডিসি ও কৃষি বিভাগ মাঠ দিবসসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করছে বলেও জানান তিনি।







