গুজবের উপর ভিত্তি করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ধানমণ্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার বিকালে রাজধানীর জিগাতলায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে কে বা কারা গুজব ছড়ায় ।ফেসবুকে বিভিন্ন ভিডিও এবং ছবি দেওয়া হয়। এসব দেখে উত্তপ্ত ছাত্ররা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসে হামলার ঘটনায় প্রশিক্ষিতরা জড়িত ছিল। যারা হামলা চালিয়েছে, তারা সাধারণ ছাত্রছাত্রী নয়, তারা রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত।’
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একদল দুর্বৃত্ত আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত সংঘাতের পর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দলকে আসে আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয়ে। পুলিশও সেখানে ছিল।
আওয়ামী লীগের কার্যালয় ঘুরে ওই শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের জানান, দুপুরে ‘কিছু লোক’ এসে তাদের বলেছিল যে আন্দোলনকারী কয়েকজনকে আওয়ামী লীগ অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। কিন্তু তারা ঘুরে দেখে বুঝেছে, গুজবে বিভ্রান্ত হয়েছিল তারা।
কাদের বলেন, ‘কারা এই সংঘাতের উসকানি দিচ্ছে, সেটাই প্রশ্ন। আমাদের কাছে তথ্য আছে, নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে এখন অপরাজনীতির’ মাধ্যমে সহিংসতায় রূপ নিয়েছে।’








