গাজীপুর ও টাঙ্গাইলে পৃথক পৃথক জঙ্গি আস্তানায় পুলিশ-র্যাবের অভিযানে কমপক্ষে ৪ জঙ্গি নিহত ও বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এলআইসি প্রধান মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাজীপুরের পাতারটেকের জঙ্গি আস্তানার নিয়ন্ত্রণ নিলেও দরজার সামনে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে জঙ্গিরা। আশেপাশের বাসা-বাড়ি ও রাস্তা থেকে এলাকাবাসীকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
এর আগে গাজীপুর শহরের হাড়িনালের একটি বাড়িতে র্যাবের অভিযানে ২ জঙ্গি নিহত, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
চার সহযোগীসহ নিউ জেএমবির ঢাকা বিভাগীয় প্রধান আকাশ আত্মগোপনে আছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর শহরের কাছে আরেকটি বাসা ঘিরে রাখে পুলিশ। বাড়ির ভেতর কমান্ডো অপারেশন চালাচ্ছে সোয়াট। এর আগে হ্যান্ড মাইকে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় পুলিশ।
তাদের সঙ্গে অপারেশনে যোগ দিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এলআইসি ইউনিট, ডিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও বগুড়া জেলা পুলিশ। বাড়ির ভেতর জঙ্গিদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর কমান্ডো অভিযান চালাতে ডাকা হয় সোয়াট-কে।
টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার কাগমারা মির্জামাঠ এলাকায় একটি ভবনে জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালিয়েছে র্যাব। অভিযানে ২ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
র্যাব জানায়, মির্জামাঠ এলাকায় একটি তিনতলা ভবনের নিচতলায় জঙ্গি আস্তানার খবর পেয়ে শনিবার সকালে অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধে দু’জন নিহত হয়। ওই বাড়ির মালিকের নাম বাবুল বলে র্যাব জানিয়েছে।









