ভারত থেকে গরু না আসলেও কোরবানি ঈদে পশু কেনার ক্ষেত্রে সংকট সৃষ্টি হবে না জানিয়ে সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন না হতে বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
সোমবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, ভারত থেকে পশু আমদানি বন্ধ হলে বরং দেশে গরু উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে, স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশে রপ্তানিও শুরু হবে।
কোরবানির ঈদের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা, উৎপাদনকারি, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর এ বৈঠক।
সঙ্গত কারণেই আলোচনায় স্থান পেয়েছে ভারত থেকে কোরবানির পশু হিসেবে গরু আমদানি না করতে পারার বিষয়টি। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে গরু না আসলেও ঈদের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে না।
তিনি বলেন, ‘এধরণের সংবাদ যে ভারত থেকে গরু আসবে না তাতে বরং আমাদের দেশে গরু উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। সাধারণ ব্যবসায়ীরাও গরু উৎপাদনে বিনিয়োগ করবে এবং প্রচুর পরিমাণে গরুর খামার হবে। আর আমরাও তো এইটিই চাই যে, গরু উৎপদানের হার অনেকাংশে বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে আমরাও একদিন স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বিদেশে গরু রপ্তানী শুরু করতে সক্ষম হবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলতে পারি, আসন্ন কোরবানীর ঈদে ভারত থেকে গরু না আসলেও দেশের বাজারে এর প্রভাব পড়বে না এবং কোনো সংকট থাকবে না।’
ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিত্যপ্রয়োজনী পণ্যের মজুদ সম্পর্কে ধারণা নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রাখা হবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের মজুদও পর্যাপ্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘পন্যের সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে পেয়াজের দাম বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় এখন দেশের বাজারের পেঁয়াজের দাম কমে আসবে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো পণ্যেরই কোনো ঘাটতি নেই বরং পর্যাপ্ত সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে এবং পর্যাপ্ত মজুদও রয়েছে।’
পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে সাধারণ ক্রেতার কাছে পণ্য যাওয়ার মাঝে দাম বাড়ানোর জন্য অসাধু কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।







