পটুয়াখালীর বাউফলে নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের পৃথক পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছে। আহত ১ জনের আবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ ১০টি মোটর সাইকেল ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ করেছে স্থানীয় বিএনপি।
শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোট দেয়া না দেয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার কালাইয়া বন্দরে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ ঘটনা ঘটে।
এ ছাড়াও আয়নাবাজ, কনকদিয়া ও মমিনপুর এলাকায় ভাঙচুর ও হামলা চালায় জামায়াত কর্মীরা।
স্থানীয়রা জানায়, বিএনপি কর্মীরা দাড়িপাল্লায় ভোট দেয়ার অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মারধর ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াস উদ্দিনের বাসায় অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে জামায়াত সমর্থিত কর্মী-সমর্থকরা একত্রিত হয়ে গিয়াসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যুবদল কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও বৈদ্যুতিক মালামাল লুট করে । এসময় বাসভবনের সামনে রাখা অন্তত ১০টি মোটর সাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি তিনি পছন্দ করেন না। তার কোন কর্মী-সমর্থক হামলা ও মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাউফল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি জায়গায় হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের কথা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।








