গত বছর তীব্র গরমের মাঝে হয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। এপ্রিল-মে’র দাবদাহ সইতে না পেরে অনেক ব্যাটসম্যানকেই ছাড়তে হয়েছে মাঠ। পানিশূন্যতা থেকে মাংসপেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় যেতে হয়েছে স্বেচ্ছা অবসরে। এবার গরম জেঁকে বসার আগেই লিগ শেষ হয়ে যাওয়া স্বস্তির ঘটনা। কিন্তু বিসিএলের শেষ তিন রাউন্ড বাকি থেকে যাওয়ায় থাকছে ইনজুরির শঙ্কা।
মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে চারদিনের ক্রিকেটের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক আসরটির চতুর্থ রাউন্ড। ব্যাট-বলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি চৈত্র-বৈশাখের গরম জয় করার চ্যালেঞ্জ থাকছে ক্রিকেটারদের সামনে। যেটিকে জয় করতে খেতে হবে প্রচুর পানি। বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘গরমের মাঝে খেলার ঝুঁকি বেশি। যে কারণে খেলোয়াড়রা কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে। যেমন প্রচুর পানি পনা করা। শুধু তৃষ্ণা পেলেই পানি খেলাম, ব্যাপারটা এমন না। সময় ঠিক করে নিয়ম করে পানি খেতে হবে। তৃষ্ণা যদি নাও থাকে খেতে হবে।’
শুধু ম্যাচের সময় নয়। দেবাশীষ বলেন, ‘ম্যাচের আগেরদিন থেকেই প্রস্তুতি রাখতে হবে। ম্যাচের আগেরদিন প্রচুর পানি পান করা, পর্যাপ্ত ঘুম হলে ভাল। শরীরে পানিশূন্যতা থেকে মাংসপেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় পড়ার শঙ্কা থাকে।’
১০-১৩ এপ্রিল সিলেটে লড়বে নর্থ জোন ও সেন্ট্রাল জোন। একই তারিখে বগুড়ায় সাউথ জোনের মুখোমুখি হবে ইস্ট জোন। পঞ্চম রাউন্ড ১৭-২০ এপ্রিল, বগুড়ায়; লড়বে ইস্ট জোন ও নর্থ জোন। রাজশাহীতে অপর ম্যাচে সাউথ জোন খেলবে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে। ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ড ২৪-২৭ এপ্রিল। খুলনায় মুখোমুখি হবে নর্থ-সাউথ। আর রাজশাহীতে লড়বে ইস্ট-সেন্ট্রাল।
অর্থাৎ পুরো এপ্রিল মাস ক্রিকেটারদের থাকতে হতে পারে কড়া রোদের নিচে। থাকতে পারে ঝড়-বৃষ্টির বাগড়াও। সময়টা যে ক্রিকেটের জন্য উপযুক্ত নয়; তা বলার অপেক্ষা রাখে না।








