প্রথমবারের মত বাস্কেটবল আয়োজন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। পিছিয়ে পড়া খেলাধুলাকে এগিয়ে নিতে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন আয়োজন করবে আই-ক্রিয়েশন। চ্যানেল আই অনলাইনকে শনিবার এমন আশার কথাই শোনালেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজওয়ান-উর রশিদ মজুমদার।
আই-ক্রিয়েশনের পৃষ্ঠপোষকতায় শনিবার শেষ হয়েছে দুইদিনব্যাপী ‘ফায়ারবল থ্রি ইনটু থ্রি বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট’। মূলধারার বাস্কেটবল থেকে একটু ভিন্ন ফরম্যাটের এই খেলাটিতে অংশ নিয়েছিল ছেলেদের ১৮টি ও মেয়েদের ১০টি দল। দলে পাঁচজনের মধ্যে তিনজন সরাসরি খেলতে পারেন ম্যাচে। রেফারির অনুমতি নিয়ে যখন তখন খেলোয়াড় পরিবর্তন করা সম্ভব। মূল কোর্টকে অর্ধেকভাগে ভাগ করে একটি বাস্কেটে হয় খেলা। খেলার সময় ১০মিনিট। আয়োজনটির মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল আই ও চ্যানেল আই অনলাইন।
ছেলেদের বিভাগ থেকে জোসেফাইটসকে ১৩-১০ পয়েন্টে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গোল্ড স্কুল। আর মেয়েদের বিভাগ থেকে চ্যাম্পিয়ন হাইব্রিডস দল। স্ট্যালিয়নকে তারা হারিয়েছে ২-১ পয়েন্টে। চ্যাম্পিয়ন দুই দলকে দেয়া হয়েছে ২০ হাজার টাকা করে প্রাইজমানি। রানার্সআপ দলদুটি পেয়েছে ১০ হাজার টাকা।

প্রথমবারের মত অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে থ্রি ইনটু থ্রি ফরম্যাটের বাস্কেটবল খেলাটি। নতুন ফরম্যাটে বাংলাদেশের রেকর্ডও নেহাত মন্দ নয়। এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি চীনকে দুবার, সঙ্গে ওমান-কিরগিজস্তানকে হারানোর অভিজ্ঞতাও আছে লাল-সবুজ থ্রি ইনটু থ্রি বাস্কেটবল দলের। ভবিষ্যতে সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা আর সহযোগিতা পেলে অলিম্পিকে একদিন বাংলাদেশের পতাকাও তুলে ধরতে পারে খেলাটি।
কেবল মাত্র বাস্কেটবলই নয়। পিছিয়ে থাকা সম্ভাবনাময় খেলাগুলোকে একে একে উপরে তুলে আনতে ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ নেয়ার কথাই জানিয়েছেন রেজওয়ান-উর রশিদ মজুমদার, ‘আমরা চেষ্টা করবো আরও খেলাগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য, বাংলাদেশকে জন্য উপহার দেয়ার জন্য। তরুণ-যুবকরা যেন মাদক থেকে সরে খেলাধুলার দিকে অনুপ্রাণিত হয় সে চেষ্টাও থাকবে আমাদের। ’

একই আবেদন জানালেন বাস্কেটবল ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনও। বাস্কেটবল খেলতে ছেলেমেয়েদের অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্য অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি স্কুলগুলোতে খেলাধুলার বিকাশ ঘটানোর আবেদন তার, ‘সরকারের তরফ থেকে যদি প্রতি স্কুলে একটি করে বাস্কেটবল আর দুটো করে বলও দেয়া হয় তাহলে কিন্তু খেলাটার প্রসার ঘটে। অনেক জেলাতেই বাস্কেটবল কোর্টই নেই। সঠিক পরিচর্যা আর কোর্টে খেলা থাকলে অবশ্যই আমরা পারবো।’










