নাইকো মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলায় চার্জ গঠনের শুনানি ২৮ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বেলা ১২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা হন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
জামিন দিয়ে আদালত বলেন, পূর্বশর্ত অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হলো। শর্তগুলো হলো তিনি জামিনের কোনো নিয়ম ভঙ্গ করবেন না এবং বেল বন্ড ভাঙবেন না।
এর আগে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন জানিয়ে আসামীপক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন, এর আগে কখনোই খালেদা জিয়া জামিনের অপব্যবহার করেননি, এবারও করবেন না। তবে তাদের জামিন আবেদনের বিরোধিতা জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আদালত উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে এই সিদ্ধান্ত দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে জোড়দার নিরাপত্তা নেওয়া হয়।
নাইকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা নিয়ে খালেদার করা আবেদন গত ১৮ জুন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে মামলার ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে বেগম জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। পরের বছর ৫ মে খালেদাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
এতে অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। খালেদা জিয়া উচ্চ আদালতে গেলে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই দুর্নীতির এই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট, সেই সঙ্গে দেওয়া হয় রুল।
২০০৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় জামিন পান খালেদা। প্রায় সাত বছর পর চলতি বছর শুরুতে রুল নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক। খালেদার আবেদনে রুলের ওপর শুনানি করে জুনে রায় দেয় হাইকোর্ট।







