বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি যা চাইছে, তার জন্য তাদেরকে কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে। না হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
এই মামলা আওয়ামী লীগ সরকার দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের প্রিয় ইয়াজউদ্দিন, ফখরুদ্দিন, মইনুদ্দিন তাদের আমলেই এ মামলা দেয়া ছিলো। যদিও এই মামলা ১০ বছর চলেছে।’
রোববার বিকালে বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন শেষে ঢাকায় ফিরে গণভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়া বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন: যখন মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তখনই আমার উচিৎ ছিলো গ্রেপ্তার করা। এখন তাদের নেত্রী বন্দী বিএনপি আন্দোলন করুক।
এ মামলায় সরকারের হস্তক্ষেপ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন: বিচার বিভাগের উপর যদি হস্তক্ষেপ করতে চাইতাম তাহলে কী ১০ বছর ধরে মামলা চলতো? ১৫৪ বার কোর্টে হাজিরার তারিখ পড়েছে, কিন্তু তিনি যাননি।
‘তবুও তারা মিডিয়ার কাছে ফেভারিট। চুরি করলেও ভালো, ভোট ডাকাতি করলেও ভালো, হাজার অপরাধ হলেও তারা অপরাধী হয় না।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন: খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হয়েছে এতিমের টাকা চুরি করে। মামলা শুধু একটা না অনেক আছে। আজ আমি কিছু কিছু রিপোর্ট পড়ছিলাম তাদের সৌভাগ্য মিডিয়া তাদের কভার করে। আমি তো সবসময় তিন নম্বর চার নম্বর বা পাঁচ নম্বরে থাকি সেখানে বিএনপি সবসময় অগ্রাধিকার পায়। চ্যানেলের খবরগুলোতে আমি সব জায়গায় তিন চার পাঁচে এসে ঠেকি।
তিনি বলেন, ‘তাদেরতো অনেক বড় বড় আইনজীবী আছে। কই কোনো আইনজীবীতো প্রমাণ করতে পারলো না খালেদা জিয়া নির্দোষ। তাদের নেত্রী বন্দী হয়ে অাছে তারা অন্দোলন করুক।’
‘তারা নির্বাচন করবে কী করবে না এটা তাদের বিষয়। খালেদা জিয়ার ছেলে যেদিন মারা গেলো সেদিন গেলাম, সেদিন আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলো। সেদিন থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর তাদের সাথে কোনো আলোচনায় বসব না। আমার অাত্মসম্মান আছে।’








