ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি কথিত ‘গোপন’ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সফর ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। যদিও এই ধরনের কোনো গোপন সফরের দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে ইউএই সরকার।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় নেতানিয়াহু গোপনে ইউএই সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে দাবি ওঠে। তবে সফরের নির্দিষ্ট সময় বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরে বুধবার (১৩ মে) রাতেই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির আওতায় দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং এটি কোনো গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউএই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া গোপন সফর বা সমঝোতা নিয়ে যেসব দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। ইউএইর এই প্রতিক্রিয়া আসে নেতানিয়াহুর দপ্তরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টের পর। সেখানে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান বোমা হামলার সময় নেতানিয়াহু গোপনে ইউএই সফর করেছেন।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এরপর ইউএইসহ কয়েকটি আরব দেশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। পরে ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।








