৮০ লাখ জনবসতির ছোট্ট দেশ। পাপুয়া নিউ গিনি। তারাই কিনা জায়গা করে নিল ক্রিকেট ইতিহাসে। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসতে যাওয়া টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দ্বীপ দেশটি। কেনিয়াকে ৪৫ রানে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বমঞ্চের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে তারা।
২০১৪তে আইসিসি’র কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার ছাড়পত্র আদায় করেছিল পাপুয়া নিউ গিনি। এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।
কেনিয়াকে হারানোর পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছিল পাপুয়া নিউ গিনির বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের বিষয়টি।
বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য স্কটল্যান্ডের ছুঁড়ে দেয়া ১৩১ রানের লক্ষ্য রোববার ১২.৩ ওভারে অতিক্রম করতে হত ডাচদের। কিন্তু ম্যাচ জিতলেও লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে ১৭ ওভার খরচ করে নেদারল্যান্ডস। তাই কেনিয়াকে ৪৫ রানে হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই নেট রানরেটে ডাচদের টপকে আগামী বছর ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপে নামার যোগ্যতা অর্জন করে পাপুয়া নিউ গিনি।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার টিকিট নিশ্চিত করতে হলে নেদারল্যান্ডসকে প্লে-অফ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্লে-অফ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ডাচরা।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে কেনিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বড়সড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয় পাপুয়ানরা। মাত্র ১৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। পরে সপ্তম উইকেটে সেসে বাউ ও নরমান ভানুয়ার ৭৭ রানের জুটিতে ভর করে ম্যাচে ফেরে পাপুয়া নিউ গিনি।
ভানুয়ার ৫৪ রানে ভর করে স্কোরবোর্ডে ১১৮ রান তুলতে সমর্থ হয়। যদিও ১৯.৩ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় আসাদ ভালার দল।
এরপর বল হাতে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন পাপুয়া নিউ গিনি বোলাররা। ১৮.৪ ওভারে বিপক্ষকে মাত্র ৭৩ রানে অলআউট করে ইতিহাস তৈরি করে তারা।
আর নাইজেরিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করেছে আয়ারল্যান্ডও।








