বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম থেকে ভারতের ধর্মশালা যেনো এক বিন্দুতে মিলেছে। ১৯৯৯’র ২৫ মার্চ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওডিআই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মেহরাব হোসেন অপি। এরপর টেস্ট সেঞ্চুরি পেতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি টাইগারদের। পরের বছর নভেম্বরেই ঢাকার মাটিতেই ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ১৪৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
২০০৪ সালের জুলাইয়ে টি২০ ভার্সনে খেলা শুরু হলেও সেঞ্চুরির দেখা পায়নি কোনো টাইগার ক্রিকেটার। এক যুগের সেই আক্ষেপ ধর্মশালায় মেটালেন তামিম ইকবাল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৬৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন।
তামিম ইকবাল: ২০০৭ সালে অভিষেকের পর থেকেই বাংলাদেশ দলে অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ ম্যাচের আগ পর্যন্ত টি২০ তে ১১১.৮৭ স্ট্রাইক রেটে এবং ২২.৪৭ গড়ে ৯৮৯ রান করেন। আজকের সেঞ্চুরিতে হাজার রানের মাইল ফলক ছুঁইয়েন এ বাহাতি। এছাড়াও অর্ধশতক রয়েছে তার চারটি। বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটিও তার।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল : ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তাঁর অধিনায়কত্বে স্কটল্যান্ড এবং বিশেষ করে পাকিস্তানকে হারিয়ে আলোড়ন তুলেছিল বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ১৪৫ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলা বুলবুল অবসরের পর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর মূল দায়িত্ব ক্রিকেটে এশিয়ার পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে কোচিং করানো। ১৩টি টেস্ট খেলে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরি এবং ৩৯টি ওয়ানডে খেলে তিনটি হাফ সেঞ্চুরি করা বুলবুল এখন সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন।
মেহরাব হোসেন অপি : বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬৪ এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪২ রানের দুটো দারুণ ইনিংস এসেছিল তাঁর ব্যাট থেকে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ফিফটি অপির। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ানও তিনি। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত আছেন অপি। মোহামেডানের সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন গত মৌসুমে। প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ৯টি টেস্ট খেলে একটি ফিফটি এবং ১৮টি ওয়ানডে খেলে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি ফিফটি করেছেন।







