একটা সময় ঈদে পাড়া মহল্লা থেকে বেশ ভালো মূল্যে চামড়া কিনতো মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। অনেক ক্ষেত্রে আড়ৎদার, মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অগ্রীম অর্থও দিয়ে রাখতো চামড়া সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এখন চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে। পশু কোরবানির বেশিরভাগই পাচ্ছেন না চামড়ার কোন মূল্য। নিতে চাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরাও। পরিস্থিতি এমন যে সেই কোরবানির পশুর চামড়া নিয়েই বিপাকে পড়ছেন কোরবানিদাতা।







