যশোরে সরকারি-বেসরকারি কোনো ব্যাংক-ই এক, দুই ও পাঁচ টাকার কয়েন জমা নিচ্ছে না। আর এ কারণে এরই মধ্যে জমে যাওয়া কোটি টাকার কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার প্রায় একশ’ বেকারি মালিক। এ অবস্থায় ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কা বেকারি মালিকদের।
যশোরে শতাধিক বেকারিতে কাজ করে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার শ্রমিক। বেকারির অনেক আইটেমের দাম এক থেকে ৫ টাকার মধ্যে। যে কারণে ক্রেতারা বেশির ভাগ সময় কয়েন দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন।
বেকারি মালিকরা জানান, ব্যাংক কয়েন জমা না নেয়ায় তারা অর্থ সংকটে পড়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো কয়েন জমা না নিলে ব্যবসা বন্ধ করে আন্দোলনে নামা ছাড়া উপায় থাকবে না তাদের।
বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গতকাল এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছি। দ্রুত যদি এ সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে বেকারি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।
তবে ব্যাংকে কয়েন না নেয়ার বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন যশোর সোনলী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোশরফ হোসেন। তিনি জানান, কোনো ব্যাংকের এখতিয়ার নেই যে যে কোনো মানের মুদ্রা জমা নিবে না একথা বলার।
এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসন। যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট মুহান্মদ সোহেল হাসান বলেন, তদন্ত করে যদি দেখা যায় কোনো ব্যাংক মুদ্রা গ্রহণ করছে না সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিনিধির কাছে লিখিতভাবে এ বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।







