সোমবার কােটা সংস্কার আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সরকারের দায়িত্বশীল হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সেটাই সরকারের বক্তব্য।
এ বিষয়ে অন্য কেউ যদি কিছু বলে থাকে সেটা তার ব্যক্তিগত মতামত। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওবায়দুল কাদের এসব কথা জানিয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন: সরকারি বক্তব্য হচ্ছে, আগামী ৭ মে’র মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানাে হবে।
সোমবার সন্ধ্যায় ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা সহিংসতায় জড়িত ছিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলা করেছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, তাদের শাস্তি পেতে হবে।’
কোটা নিয়ে সরকার অনড় অবস্থানে নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন: এ দাবির যৌক্তিকতা আমরা ইতিবাচকভাবে দেখব।
তিনি বলেছিলেন: ‘বৈঠক শুরুর তিন মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলে দিয়েছেন, আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ ব্যাপারে একটা সমাধান খুঁজে পাওয়া যাবে।’
মন্ত্রী বলেছিলেন: যারা আন্দোলন করছেন, তারা তরুণ সমাজের প্রতিনিধি। তারা আমাদের তরুণ সমাজ, আমাদের রাজনীতিরও অপরিহার্য অংশ। তাদের প্রতি সরকারের বিশেষ দুর্বলতা আছে।’
কিন্তু সোমবার সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আন্দোলকারীদের ওপর উষ্মা প্রকাশ করেন এবং মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বাজেটের পরে কোটা সংস্কারে হাত দেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মহলে তাদের এই বক্তব্যের সমালোচনা হচ্ছে।








