আঙুলে ব্যথা কমে আসার পর মোটে চারটি নেট সেশন। ব্যাস, নেমে পড়লেন টেস্টের ময়দানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ সফলভাবে শেষ করে সাকিব আল হাসান জানালেন, কোচ স্টিভ রোডসের অনুপ্রেরণায় সাহস সঞ্চার করে চট্টগ্রাম টেস্টে খেলেছেন।
চোটের কারণে দুই মাস মাঠের বাইরে থাকা সাকিবের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ ছিল চট্টগ্রামে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিব নিজেই জানিয়েছিলেন তার খেলা নিয়ে আছে সংশয়। কীভাবে সেটি কাটিয়ে মাঠে নামলেন তা জানালেন মিরপুরে উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করার পর।
‘সত্যি কথা বলতে, প্রথম টেস্টটা খেলতে চাইনি। একমাত্র কোচের কারণেই খেলাটা হয়েছে। আমি কখনই খেলতাম না। আমাকে যতবার বলেছে, বলেছি, আমি পারবো না। কারণ আমার ঐ বিশ্বাসই ছিল না। যদি আমার বোলিং দেখেন, তিন-চার ওভারের স্পেল করেছি। কারণ আমার শরীরের অবস্থা (খেলার মতো) ওইরকম ছিল না। কিন্তু কোচ (স্টিভ রোডস) যেটা বলেছে, তুমি ম্যাচ খেলেই ফিট হতে পারবা। আমার মনে হয় আমি বিশ্ব ক্রিকেটে একমাত্র খেলোয়াড় যে ম্যাচ খেলে ফিট হই(হাসি)।’
‘তবে একটা জিনিস ভালো যে আমি ছোট ছোট অবদান রাখতে পেরেছি। বিশেষ করে নতুন বলে ব্রেক থ্রু আমার কাছে মনে হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অবশ্যই সবাই ভালো বোলিং করেছে, তবে ওই অবদানগুলো আমি মনে করি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল সিরিজ জেতার পেছনে।’
চট্টগ্রামের পর মিরপুর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের চার ইনিংসেই বল হাতে শুরুর উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ছিলেন খুবই আক্রমণাত্মক, ব্যাট হাতেও হয়েছেন সফল। সামনে থেকে দিয়েছেন নেতৃত্ব।
অন্য খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত যেটা হয়; প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নামেন আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে। ব্যতিক্রম ছিলেন সাকিব। সংশয় নিয়ে সাদা পোশাকে ফিরে প্রত্যাবর্তন রাঙিয়েছেন ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও দলীয় সাফল্যে।






