বাংলাদেশ-ভারতের ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে আজ শেষ হচ্ছে এশিয়া কাপ টি-২০ টুর্নামেন্ট। এই আসরের মূলপর্ব থেকে সর্বাধিক রান সংগ্রাহকের দৌঁড়ে রয়েছেন বাংলাদেশের সাব্বির রহমান, শ্রীলঙ্কার দিনেশ চান্দিমাল, ভারতের রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি।
তবে মূল ও বাছাইপর্ব মিলিয়ে সবার উপরে রয়েছেন আইসিসির সহযোগী দেশের তিন ব্যাটসম্যান। তিন ম্যাচে ৬৪’র বেশি গড়ে ১৯৪ রান নিয়ে সবার উপরে আছেন হংকংয়ের বাবর হায়াত। ৭ ম্যাচে ১৭৬ রান করে দ্বিতীয়স্থানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ উসমান। সমান ম্যাচে ১৫১ রান করে তৃতীয়স্থানে রয়েছেন উসমানের স্বদেশী সাইমন আনোয়ার।
মূলপর্বের ম্যাচের সবার উপরে চান্দিমাল। চার ম্যাচে তিনি করেছেন ১৪৯ রান। সর্বোচ্চ ৫৮। দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের সাব্বির রহমান। চার ম্যাচে সাব্বিরের সংগ্রহ ১৪৪ রান। সর্বোচ্চ করেছেন ৮০। এটি এবারের আসরে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের স্কোর। সেক্ষেত্রে আজ ফাইনালে ৬ রান করলেই মূলপর্বের সর্বোচ্চ স্কোরার হয়ে যাবেন সাব্বির। আর ৫১ রান করতে পারলেও মূল ও বাছাইপর্ব মিলে উঠে যাবেন একনম্বরে।
শীর্ষে ওঠার সুযোগ রয়েছে রোহিত শর্মারও। চার ম্যাচে ১৩৭ রান তার। আজকের ফাইনালে ৮ রান করলে সাব্বিরকে এবং ১৪ রান করলেও ছাড়িয়ে যাবেন চান্দিমালকে। আর টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার হতে ভারতীয় ওপেনারকে করতে হবে ৫৭ রান।
এই দৌঁড়ে রয়েছেন বিরাট কোহলিও। চার ম্যাচের তিন ইনিংসে দুই ফিফটিসহ তিনি করেছেন ১১২ রান। চান্দিমাল ছাড়াতে ৩৭ ও বাবর হায়াতকে টপকাতে ৮২ রান করতে হবে কোহলিকে।
দল আগেই বাদ পড়ায় টপ স্কোরার হওয়ার দৌঁড় থেকে ছিটকে পড়েছেন চান্দিমাল, তিলেকারত্নে দিলশান (১৩২), সরফরাজ আহমেদ (১২১) ও মোহাম্মদ শেহজাদ (১২৯)।
ব্যাটের মতো বলেও সেরার দৌঁড়ে রয়েছেন বাংলাদেশী এক তারকা। মূলপর্বের চার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছেন টাইগার পেসার। ৭ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন ভারতের হার্দিক পাণ্ডেয়া। ৭ উইকেট নেওয়া পেসার মোহাম্মদ আমিরের দল পাকিস্তান আগেই বাদ পড়ায় সেরা হওয়ার সুযোগ থাকছে না তার।
এই দৌঁড়ে থাকা ফাইনাল খেলতে যাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন শুধু আশিস নেহরা। তবে তার উইকেট সংখ্যা ৫। আল-আমিনকে ছাড়াতে ফাইনালে ৬ উইকেট পেতে হবে ভারতীয় পেসারকে।
তবে মূল ও বাছাইপর্ব মিলে ১২ উইকেট নিয়ে সবার উপরে রয়েছেন আরব আমিরাতের অধিনায়ক আমজাদ জাভেদ। সমান ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে জাভেদের সতীর্থ মোহাম্মদ নাভেদ।







