সবুজ জার্সি। বাংলাদেশের, আয়ারল্যান্ডেরও। মাঠ সবুজের আস্তর, সেটা থেকে পিচ আলাদা করা দায়। সব সবুজ মিলেমিশে একাকার। পিচটা এককথায় পেসারদের স্বর্গ। সেখানে কেমন অভিষেক হল স্পিনার সাঞ্জামুল ইসলামের?
ডাবলিনের মালাহাইডে শুরুতে ব্যাটসম্যানদের ওপর ছড়ি ঘোরালেন রুবেল-মোস্তাফিজ। বোলিংয়ে এসে উইকেট তুলে নিলেন সাকিব-মোসাদ্দেক। কিন্তু মিরাজকে বসিয়ে যাকে দেখে নেয়ার জন্য খেলানো, সেই সাঞ্জামুলের ডাক পড়ছে না।
অবশেষে সাঞ্জামুলকে ডাকলেন মাশরাফি। ছয় বোলারকে ব্যবহার করার পর। ইনিংসের ২৯তম ওভারে। শুরুটা তাতে ভালো হল না অভিষিক্ত স্পিনারের। ওভারের দ্বিতীয় বলেই কেভিন ও’ব্রায়েন মিডঅফ দিয়ে বাউন্ডারি খুঁজে নিলেন।
২৭ বছর বয়সী সাঞ্জামুল দমলেন না। ওই ওভারেই সাজঘরে ফেরান আইরিশদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটিংস্তম্ভ এড জয়েসকে। বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জয়েসই এই ম্যাচে স্বাগতিকদের সর্বোচ্চ স্কোরার, ৪৬ রানের ইনিংস তার।
পরে নিজের পঞ্চম ও শেষ ওভারে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেছেন ব্যারি ম্যাকার্থিকে। সবমিলিয়ে ৫ ওভারে ২২ রানে ২ উইকেট। পেস স্বর্গে ওয়ানডে অভিষেকটা মন্দ হল না সাঞ্জামুলের।
সাঞ্জামুল টাইগারদের ১২৪তম ওয়ানডে ক্রিকেটার হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন শুক্রবার। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা দিয়েই সবুজ পিচে বোলিং করার কঠিন পরীক্ষায় খানিকটা উতরেও গেলেন। ঘরোয়া লিগে পারফরমেন্সের ধারাবাহিকতায় ছিলেন অনেকদিন ধরেই। শ্রীলঙ্কা সফরের দলে থাকলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। আছেন জুনে শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলেও।
এপর্যন্ত ৬৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলে সাঞ্জামুল ঝুলিতে পুরেছেন ৮০টি উইকেট। ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট একবার। ঘরোয়া লিগের দীর্ঘমেয়াদী ক্রিকেটেও কার্যকর তিনি। ৫৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ২১২ উইকেট। ম্যাচে তিনবার ১০ উইকেটের সঙ্গে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ১১বার।








