নতুন বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকতে চান না সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। অনেকদিন ধরে বাংলাদেশ দলের বাইরে থাকা এই ওপেনার বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যানকে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
পিঠের চোট, সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দ্বন্দ ও নানা নাটকীয়তায় পরে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ছিলেন না তামিম। বিপিএল দিয়ে ফিরবেন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে। বড় প্রশ্ন, তামিম আবার কি ফিরবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে? তা নিয়ে স্পষ্ট কোনো আভাস মেলেনি। ঘরের মাঠে নিজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট, নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে কোনটাতেই দেখা যায়নি তাকে।
রোববার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে তামিম প্রসঙ্গে ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘তামিমের ব্যাপারটা হচ্ছে কি, তামিম আগেও আমাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন না। তামিম নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলেছিল, প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে কথা বলেছে, আমার সঙ্গেও কথা বলেছে। আপনারা জানেন যে বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বসার কথা আছে আগামী মাসে। প্রধানত নির্বাচনের পরে। সে চাচ্ছিলো তার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবে। তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী, সামনের দিনে কীভাবে এগিয়ে যাবে। তার নিজস্ব একটা পরিকল্পনা আছে, তার আগে যেন আমরা তাকে চুক্তিতে না রাখি। সে চেয়েছে এখন না রাখতে, পরে বসার পর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে সে তখন আমাদের জানাবে যে সে কি করতে যাচ্ছে।’
কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা চলতি বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত করে বোর্ডে জমা দেয়া হবে বলে জানান জালাল ইউনুস।
গত জুলাই মাসে আফগানিস্তান সিরিজের মাঝে আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তামিম। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে একদিন পরই সিদ্ধান্ত বদলান। পিঠের চোটে লড়াই করে বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজে ফিরলেও নেতৃত্বে ছিলেন না।
২০২০ সালের মার্চে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর দায়িত্ব পান তামিম। মাশরাফীও কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন।
২০২৩ বিশ্বকাপে তারই নেতৃত্ব দেয়ার কথা তামিমের। তার মেয়াদে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সও ছিল আশা জাগানিয়া। কিন্তু বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহুর্তে নানা নাটকীয়তা এলোমেলো হয়ে যায় সব।








