এক সময়ের খরস্রোতা তিস্তা নদী এখন মরণাপন্ন। কুড়িগ্রামে তিস্তা রেলওয়ে ও সড়ক সেতু থেকে চিলমারী পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার এলাকায় ধু ধু বালু। শুধু পানির একটি ক্ষীণ ধারা নালার মতো বয়ে চলেছে। এতে বিরুপ প্রভাব পড়ছে জীববৈচিত্র্যে।
বৈশাখের শুরুতেই পানিশূন্য তিস্তা। তিস্তা ব্যারাজের ৭০ কিলোমিটার উজানে ভারত গজলডোবা বাঁধ দিয়ে একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে। যেটুকু পানি পাওয়া যাচ্ছে তা তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে সেচের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই ভাটির নদীর এ দশা। এতে বিরূপ প্রভাব পড়েছে গেছে নদী পাড়ের কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। হারিয়ে গেছে মাছসহ জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ।
তবে যেটুকু পানি আসে সেই ধারা সচল রাখতে তিস্তা খননের জন্য দু’টি প্রকল্পের প্রস্তাব করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
তিস্তাকে বাঁচানো না গেলে জীবন-জীবিকায় ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে বলে আশঙ্কা করছেন এ এলাকার বাসিন্দারা।
দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:










