নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনকে হত্যা করতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এজেন্টরা চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ’তে দাবি করা হয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দফতরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট কিম জন’কে হত্যা করতে ‘জৈব-রাসায়নিক পদার্থ’ দিয়ে বিশেষ হামলার উদ্দেশে সিআইএ এবং সাউথ কোরিয়ার মদদপুষ্ট একটি সন্ত্রাসী দল দেশটিতে প্রবেশ করেছে।’
অতিক্ষুদ্র বিষাক্ত পদার্থ
কেসিএনএ’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ডেমোক্রাটিক পিপলস রিপাবলিক অব কোরিয়া দলের প্রধান নেতাকে হত্যা করতে অতিক্ষুদ্র বিষাক্ত পদার্থ দিয়ে চক্রান্ত করছে সিআইএ এবং সাউথ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা।
এই বিষ মানুষের শরীরে প্রবেশের পর ছয় থেকে বারো মাস পরে কাজ করে। কিম নামের এক নর্থ কোরিয়ান সৈন্য এই কাজে তাদেরকে সহায়তা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তিনি যখন রাশিয়াতে কাজ করতেন তখন সাউথ কোরিয়া তাকে ঘুষ দিয়ে এ কাজে রাজি করায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অবশ্য ওই বিবৃতির কোথাও কিম জং উনের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি।
প্রায় এক মাস আগে কিম জং উনের সৎ ভাইকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়।
গত কয়েক মাস ধরে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। নর্থ ও সাউথ কোরিয়ার সামরিক কার্যক্রমের কারণেই এই অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর জেরে ইতোমধ্যে কোরিয়া উপকূলে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে সাউথ কোরিয়ায় একটি বিতর্কিত ক্ষেপণাস্ত্র বিরোধী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিজ্ঞা করেছেন যে, তিনি নর্থ কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরী থেকে বিরত রাখবেন এবং ‘নর্থ কোরিয়া’ ইস্যুর সমাধান করবেন।
নর্থ কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিয়ে যখন কোরিয়া উপকূলে উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঠিক সেই সময়টাতেই এমন বিবৃতি এলো।







