চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

কালী পূজার আখ্যান

চিররঞ্জন সরকারচিররঞ্জন সরকার
১০:১৬ পূর্বাহ্ণ ০৯, নভেম্বর ২০১৫
মতামত
A A

ভারতবর্ষে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অসংখ্য দেবদেবী কীভাবে শেষপর্যন্ত গিয়ে এক ভগবানের কাছে সমর্পিত হলেন সে এক বিশাল আখ্যান। ভগবান কিন্তু ‘এক’, তবে তাঁর প্রধান তিন রূপ। ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর শিব। ব্রহ্মা সৃষ্টিকর্তা, বিষ্ণু রক্ষাকর্তা, শিব ধ্বংসকর্তা।

সৃষ্টি-স্থিতি-লয়, এই তিনজনকে ঘিরে। সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার আরেক নাম বিশ্বকর্মা। তাঁর নিজের জন্ম নিয়েও নানা কাহিনী। বলা হয়, ‘ব্রহ্মার জন্ম বিষ্ণুর নাভিপদ্মে- প্রলয়জলে অনন্ত শয্যায় সমাসীন থাকেন ভগবান বিষ্ণু আর বিষ্ণুর নাভিপদ্মে উপবিষ্ট থাকেন ব্রহ্মা। বিষ্ণুর নাভিপদ্মে জন্ম বলেই ব্রহ্মা পদ্মযোনি।’ মনু সংহিতায় আছে, ‘মহা সলিলে ভাসমান হিরন্ময় অন্ডের অভ্যন্তরে জগৎস্রষ্টার জন্ম।’ আবার এরকম ভাষ্যও আছে যে, ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা ছিল। বিষ্ণু ব্রহ্মার উদরমধ্যে প্রবেশ করে ‘ত্রিলোক দর্শন’ করবার পর ব্রহ্মা বিষ্ণুর উদরমধ্যে প্রবেশ করেন ‘অনন্তলোক’ দর্শনের জন্য।

কিন্তু এক পর্যায়ে বিষ্ণু ব্রহ্মার বের হবার সকল রাস্তা বন্ধ করে দেবার ফলে ব্রহ্মা তাঁর নাভি দিয়ে বের হন। হিন্দুদের দেব-দেবী নিয়ে এমনি নানা কাহিনী প্রচলিত। তবে সব হিন্দুর দেবদেবী এক নয়। স্থান-কাল-পাত্রভেদে দেব-দেবীর গল্প এবং রূপও পরিবির্তত হয়। একেক এলাকায় একেক দেবতার প্রভাব। কোথাও দুর্গা প্রধান কোথাও কালী; কোথাও রাম দেবতা তো কোথাও রাবণ।

দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর বোঝাপড়া সব নিয়েই একই সঙ্গে সহাবস্থান করেন বহু দেবদেবী। আবার প্রতিযোগিতাও চলে। ভারতবর্ষে দেবদেবীর এই জগৎ নানাভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং অনেকসময়ই তাদের বসবাস বা চলাফেরা মানুষের মধ্যে বা মানুষের বেশে দেখা যায়। কিন্তু তাদের আসল ঠিকানা স্বর্গ। সেই স্বর্গ নিয়ন্ত্রণ করেন দেবরাজ ইন্দ্র। আর স্বর্গ মানেই অনন্ত সুখ আর অসংখ্য অপ্সরার বাস। যাদের নৃত্যগীতে স্বর্গ সবসময়ই আনন্দে ঝলমল করে।

স্বর্গের এই আনন্দভূমি, যেখানে এই দেবদেবীরা থাকেন, সেখানেও দেখা যায় মর্ত্যের মতো একইরকম ক্ষমতার সংঘাত। ষড়যন্ত্র। মান অভিমান। শাপ আর বরের অবিরাম ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া। জন্ম-মৃত্যু পুনর্জন্ম, পশুজীবন প্রাপ্তি, পশুজীবন থেকে মুক্তি সবকিছুই শাপ আর বর দিয়ে চলতে থাকে। এক নারীরই গর্ভে একবারে হাজার হাজার সন্তান, মানুষ ও পশু চেহারার উভয়ই, খুবই সম্ভব। অদৃশ্য দেব বা ভগবান বা যে কোন শাপ বা বর দিয়ে মনুষ্য নারীর গর্ভধারণ হতে পারে।

অদৃশ্য প্রক্রিয়ায় জন্ম নেয়া অনেক বড় বড় চরিত্র যে অনেক ঘটনা ও অঘটন ঘটিয়েছে তার অনেক কাহিনী আছে। কর্ণ এরকমই এক চরিত্র। পশুপাখি তো বটেই সূর্য, বাতাস, ঝড়, সমুদ্র, নদী সবাই ভিন্ন ভিন্ন জীবন্ত চরিত্র এখানে। গঙ্গা খুব ক্ষমতাধর দেবী। গঙ্গার তিনরূপ-স্বর্গে মন্দাকিনী, মর্ত্যে গঙ্গা, পাতালে ভোগবতী। গঙ্গা, লক্ষী ও সরস্বতী দেবীকে মনে করা হয় ভগবান বিষ্ণুর পত্নী।

Reneta

গঙ্গার শাপে সরস্বতী নদী হয়ে যায়, যদিও অদৃশ্য। আর সরস্বতীর শাপে গঙ্গাকে মর্ত্যে আসতে হয় এই জগতের যাবতীয় কলুষতা অঙ্গে ধারণ করতে। এই শাপ থেকে যেন তার এখনও মুক্তি নেই। কালী বা কালিকা হলেন হিন্দুদের একজন শক্তিশালী দেবী। তাঁর অন্য নাম শ্যামা বা আদ্যাশক্তি। প্রধানত শাক্ত ধর্মাবলম্বীরা কালীর পূজা করেন। শাক্তরা কালীকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আদিকারণ মনে করে। বাঙালি হিন্দু সমাজে দেবী কালীর মাতৃরূপের পূজা বিশেষ জনপ্রিয়।

কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত সাংবাৎসরিক দীপান্বিতা কালীপূজা বিশেষ জনপ্রিয়। এই দিন আলোকসজ্জা ও আতসবাজির উৎসবের মধ্য দিয়ে সারা রাত্রিব্যাপী কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। মা কালী সম্পর্কে ছোটবেলা অনেক গল্প শুনতাম। বড়রা বলতো, মা কালী নাকি অসুর দমন করার জন্য খড়গ হাতে অবতরণ করেছিলেন। অসুরদের আচরণে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি একের পর এক অসুর দমন করতে থাকেন। দিক-বিদিক জ্ঞান শূন্য মা সকল কিছু ধ্বংস করে দিচ্ছেন।

মা যে যুদ্ধ করতে করতে বস্ত্রহীন হয়ে পড়েছেন তাও খেয়াল করেননি। অসুর দমন করে তাদের মুণ্ডু দিয়ে মালা গড়ে মা সেই মালা নিজের গলায় পড়লেন। তার ক্রোধে পৃথিবী ধ্বংসপ্রায়। দেবতারা দেখলেন এ মহাবিপদ। মাকে শান্ত করতে না পারলে যে আর বিশ্বব্রহ্মাণ্ড রক্ষা করা যায় না। তাই তারা ছুটে গেলেন কালীপতী ভোলানাথ শিবের কাছে। সব কথা শুনে ভোলানাথের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। তিনি তৎক্ষণাৎ ছুটে যান কালীর খোঁজে। গিয়ে দেখেন তার স্ত্রী বিবসনা হয়ে গলায় মুণ্ডুমালা ঝুলিয়ে রক্তাক্ত খগড় হাতে যুদ্ধে লিপ্ত। এই দেখে মহাযোগেশ্বর বাহ্যিক জ্ঞান হারিয়ে ভুমিতে লুটিয়ে পড়লেন। মা কালী তখনও যুদ্ধে লিপ্ত।

অসুর দমন করতে করতে মা এগিয়ে যাচ্ছেন। এমন সময় হঠাৎ তার পা গিয়ে পড়ল ভূমিশায়িত শিবের উপর। অমনি মা জিহ্বা কামড়ে ধরলেন। সেই থেকে যুগ যুগ ধরে মা কালীর এই রূপেরই পূজো করছি আমরা! কেউ কেউ বলেন গায়ের রং কালো বলে মায়ের নাম কালী। আবার অনেকের মতে, সমস্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তিন কালের আবর্তন চক্রে ঘুরছে। অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ। আর এই তিন কালের নিয়ন্তা মহাকাল শিব। কিন্তু মা কালী এই তিন কালের ঊর্ধ্বে। তিনি কালকে জয় করেছেন। কালকে জয় করেছেন বলেই তিনি কালী। আদ্যা-শক্তিস্বরূপিনী। তবে কালীর যে রূপ-তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

স্বয়ং রামপ্রসাদ তার গানের মধ্যে কিন্তু প্রশ্ন করে বসেছিলেন, ‘বসন পর মা’ বা ‘শিব কেন তোর পদতলে, মুণ্ডু মালা কেন গলে’। আজও কালী পূজার সময় পান্নালাল ভট্টাচার্যের গলায় তার এই আকুতি আমরা শুনতে পাই। আমাদের পুলিশ ও গোয়েন্দারা যেমন যেকোন অপরাধ ও হত্যার ব্যাপারে একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করান, ধর্মগুরুরাও ঠিক তেমনি সব প্রশ্নেরই উত্তর দিয়ে রেখেছেন। অনেকের কাছে কালীর প্রচলিত রূপ ভয়াল হলেও এরও ব্যাখ্যা রয়েছে। কালী নগ্নরূপী। এর কারণ কি? কারণ মা সমস্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে আবৃত করে রেখেছেন। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এমন কিছুই নেই যার দ্বারা মাকে আবৃত করা সম্ভব। তাইতো মা অনাবৃতা।

আরেক মত অনুযায়ী, মা কালী কালের প্রতীক। কাল শূন্যের অনুরূপ ও আচ্ছাদনবিহীন, তাই কালীও দিগম্বর! মা কালী খড়গ হাতে এসেছেন আমাদের ভিতরের অশুভ শক্তিকে দমন করতে। প্রয়োজনে মা আঘাত করেন। আঘাত করেন আমাদের ভিতরকার রজগুণকে। তাই তো মায়ের খড়গ রজগুণের প্রতীক রক্তাক্ত লাল রংয়ে রঞ্জিত। সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় হল অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ এই তিন কালের তিনটি ছন্দ। অর্থাৎ সকলকেই কালের গর্ভে নিমজ্জিত হতে হবে। সংহারিণী কালী অন্তিমে সকল প্রাণীকেই আপন আধ্যাত্ম সত্তাভিমুখে সংহরণ বা আকর্ষণ করে নেন, তাই তাঁর গলায় মুণ্ডুমালা। ভূত-বর্তমান-ভবিষ্যত সর্বকালের ঊর্ধ্বে মাকালীর স্থান। আর এই কালের নিয়ন্ত্রা হচ্ছেন মহাকাল শিব। এ থেকে এটাই স্পষ্ট যে মহাকাল শিবের ঊর্ধ্বে মা কালীর স্থান।

তাইতো মহাকালীর পায়ের নিচে শায়িত মহাকাল! এ ছাড়া কালী মহাদেবের শক্তি, সুতরাং শিবের দেহ থেকে শক্তি পৃথক হয়ে বেরিয়ে এলে শিব শক্তিহীন হয়ে শবের মতো পড়ে থাকেন। অর্থাৎ, শিবের প্রভাব শক্তিযুক্ত থাকলেই; নয়তো তাঁহার নড়াচড়ার শক্তিও থাকে না। শাস্ত্রে কালীকে দুর্গার ললাট থেকে উৎপন্না বলা হয়েছে। কালী আসলে দুর্গার রূপান্তর বিশেষ। ক্রোধাবস্থাপন্না শক্তিকেই কালী বলা হয়েছে। ভয়ানক ভাবান্বিতা বিশ্বব্যাপিনী শক্তি-এই অর্থে ঈশ্বরের নাম কালী। মানুষের মধ্যে যেমন আচার-আচরণ, স্বভাব-চরিত্রের ভিন্নতা রয়েছে, দেবদেবীর ক্ষেত্রেও তাই। কালী-সংক্রান্ত সব কিছুই যেমন ভয়ানক, তেমন আবার কৃষ্ণ-সংক্রান্ত সব কিছুই আনন্দপ্রদ। কালীর বাসস্থান ভয়ানক শ্মশান, কৃষ্ণের বাসস্থান মনোহর বৃন্দাবন। কালীর হাতে ভয়ানক খড়্গ, কৃষ্ণের হাতে মনোহর বাঁশি। কালীর শরীর রক্তমাখা, কৃষ্ণের শরীর চন্দনশোভিত। কালী গম্ভীর গর্জন করেন, কৃষ্ণ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলেন।

কালী যুদ্ধে মেতে থাকেন, কৃষ্ণ নাচগান করেন। কালীর গলায় মুণ্ডুমালা, কৃষ্ণের গলায় ফুলের হার। সংক্ষেপে বললে, কালীর ভয়ানক বেশ, কৃষ্ণের মূর্তি মনোহর। কালীর উপাসকরা নানারকম প্রাণী বলি দেয়, কৃষ্ণের উপাসনায় বলি নিষিদ্ধ। কালীপূজার কাল অমাবস্যা তিথি ও ঘনঘোর অন্ধকার রাত। মৃতদেহের উপর বসে, শ্মশানে তাঁর সাধনা করতে হয়। পূজার বাদ্যযন্ত্র ঢাক ও উপহারের ফুল টকটকে লাল রঙের জবা। তান্ত্রিকেরা আবার পঞ্চ-মকার দিয়ে ভয়ানক সাধনপ্রণালির বিধানও দিয়েছেন। মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা ও মৈথুন—এই পঞ্চ-মকারের প্রায় প্রত্যেকই বাইরে থেকে দেখলে এক এক ভয়ানক সাধন-প্রণালী। বাইরে থেকে—এই কথা বলার তাৎপর্য এই যে, ওই পঞ্চ-মকারের আধ্যাত্মিক ভাব অত্যন্ত নির্মল ও উচ্চ।

লোকনাথ বসু তাঁর ‘হিন্দুধর্ম মর্ম’ নামক বইয়ে পঞ্চ-মকার সম্পর্কে বলেছেন যে, মদ্য বলতে পানীয় মদ বোঝায় না, তা ব্রহ্মরন্ধ্র থেকে ক্ষরিত অমৃতধারা বা ব্রহ্মানন্দ; মাংস মানে দেহের মাংস নয়, তা হল জিভের সংযম; মৎস্য বলতে মাছ বোঝায় না, তা হল শ্বাসনিরোধ (প্রাণায়ম); মুদ্রা মানে টাকাপয়সা নয়, বরং আত্মাতে যে পরমাত্মা মুদ্রিত হয়ে আছেন, সেই তত্ত্বজ্ঞান এবং মৈথুন বলতে যৌনসংগম বোঝায় না, তা হল জীবাত্মাতে পরমাত্মার বিরাজ। কালীপূজাই বলি কিংবা অন্য যে পূজাই বলি না কেন, এসব পূজা ও দেবদেবীর আখ্যানের মূলে রয়েছে, অশুভের বিরুদ্ধে শুভশক্তির লড়াই বা বিকাশ। সেই দিক থেকে ধর্ম পালন বা সবাইকে নিয়ে অশুভের বিরুদ্ধে লড়াই- তা কিন্তু নিরন্তর চলছেই। এই লড়াই যেন শেষ হবার নয়!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: চিররঞ্জন সরকার
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: নিহত বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী আটককেন্দ্রে মৃত্যুর ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জাতিসংঘের

জুন ২৭, ২০২৬
+ গ্রাফিক্স (সংগ্রহ)

৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান

জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প-মেলোনি সম্পর্কে প্রকাশ্য টানাপোড়েন

জুন ২৭, ২০২৬

নকআউট: প্যারাগুয়েকে পেল জার্মানি, ফ্রান্সের সামনে সুইডেন

জুন ২৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT