গ্লাসগো থেকে: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমাতে জাতীয় অবদান ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন বা এনডিসি তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বনায়ন অভিজ্ঞতা উপকূলীয় দেশগুলোতে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সৌমিক আহমেদের রিপোট।
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে জাতিসংঘ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের বাংলাদেশ স্টলে আপডেট এনডিসি প্রকাশ করা হয়েছে। ৫ বছর আগে প্যারিসে নেওয়া লক্ষমাত্রার চেয়ে এবারের এনডিসি অনেক বেশি উচ্চবিলাসি।
উপকূলীয় ক্লাইমেট ভার্নারেবল দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বনায়নকে মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছে ফ্রেন্ডশীপ বাংলাদেশের ব্লু ম্যানগ্রোভ প্রকল্প।
আলোচনায় অংশ নিয়েছে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এবং বেলজিয়ামের প্রিন্সেস মারিয়া এসমেরাল্ডা।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে।আমাদের দেশের ম্যানগ্রোভ বন আর্শিবাদ স্বরূপ।
সম্মেলনের নানা ফোরামে আলোচনা ও দর-কষাকষি চলছে প্রযুক্তি বিনিময় ও অর্থ সহায়তা নিয়ে।
বিশ্ব নেতাদের দুদিনের আলোচনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল গঠন, নবায়নযোগ্য জ্বালানী ও প্রযুক্তি বিনিময়ে দর-কশাকসি হচ্ছে। সরকার প্রধানদের আলোচনা শেষে শুরু হবে পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ।







