রুমন রেজা: নারায়ণগঞ্জে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, মাদকের প্রশ্নে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। সরকার এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগোচ্ছে। কারাগারে যাতে কোনোভাবেই মাদক প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।
বুধবার নারায়ণগঞ্জ কারাগারে নির্মিত ‘রিজিলিয়ান্স’ নামের গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রি ও জামদানি পণ্য উৎপাদনকেন্দ্র, ৬ তলা সেল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং এ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ কারখানাটির শাখা পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কারাগারগুলোতে করা হবে। অনেক কারাবন্দী তাদের পরিবার পরিজনের সঙ্গে কথা বলতে চায়। সেক্ষেত্রে কারাগারে কঠোর নিয়ম মেনে নতুন করে টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড সংরিক্ষত রাখা হবে।
প্রতিটি কারাগার বন্দীদের জন্য সংশোধানাগার জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন: এই কারাগারে কারাবন্দীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কারাগারেই এ ধরনের সুযোগ দেওয়া হবে।
কোনভাবেই মাদক কারাগারে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য মাদক নিয়ন্ত্রণে একের পর এক পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মেটাল ডিটেক্টর বসানো হচ্ছে। কিন্তু এর ফাঁকফোঁকর দিয়েও মাদক ঢুকে পড়ছে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
ওই অনুষ্ঠানেই আইজি প্রিজন সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন জানিয়েছেন, জেলখানায় বন্দিদের উৎপাদিত পণ্যের প্রসারের জন্য এবার আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলায় একটি প্যাভিলিয়ন নেওয়া হয়েছে। এতে করে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়াবে। বন্দিদের উৎপাদিত পণ্যে লাভের ৫০ শতাংশ তাদের হাতেই তুলে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আইজি প্রিজন বলেন, দীর্ঘমেয়াদী বন্দিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে। স্বল্পমেয়াদী বন্দিদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে এই কাজে লাগানো হবে। যাতে তারা কারাগার থেকে বের হয়ে গিয়ে ওই কাজ করে পরবর্তী জীবন ভালোভাবে কাটাতে পারে।







