স্বামী ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার, ১৯৯৭ থেকে নিয়মিতই তাই ইংলিশদের খেলা দেখতে দেখা যায় ডেভিড বেকহ্যাম পত্নী ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম। ৫২ বর্ষী সঙ্গীতশিল্পী ভিক্টোরিয়া নীরবেই খেলা দেখে চলছিলেন। শিরোনামে আসতেন সঙ্গীত ক্যারিয়ার বা বেকহ্যামের সাথে কোন মুহূর্ত নিয়ে। কিন্তু এবার কিছু না করেই হলেন আলোচনার বিষয়। নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে কোন প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে মিমের বিষয়বস্তু হয়ে গেছেন তিনি।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেল্ডারাপের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। ম্যাচে জুড বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে প্রত্যাবর্তনে জয় পায় থ্রি লায়ন্সরা। প্রথমার্ধে বেলিংহ্যামের প্রথম গোলে বাঁধভাঙা উল্লাস করে ইংলিশ সমর্থকরা।
সেসময় বুনো উদযাপনে মাতে ভিআইপি বক্সে থাকা বেকহ্যাম পরিবার। ডেভিড বেকহ্যামের সাথে উল্লাসে যোগ দেন তিন সন্তান রোমিও, ক্রুজ ও হার্পার। সেসময় পাশে চুপচাপ বসে থাকতে দেখা যায় ভিক্টোরিয়াকে। সেই দৃশ্য বেশ আলোড়ন তোলে নেট দুনিয়ায়। দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এমন পরিস্থিতির স্ক্রিনশটগুলো ব্যাঙ্গাত্মক শিরোনামসহ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে লিখেছেন, ‘সম্ভবত দৃশ্যপটে চলে আসা একটি স্তম্ভের কারণে তার গোলের দৃষ্টি আড়াল হয়েছিল।’ যদিও বেকহ্যামরা স্টেডিয়ামের বেশ ভালো আসনগুলোতে বসেছিলেন।
অনেকে আবার লিখেছেন, ‘হয়তো সে গোলের পরিণতি বুঝতে পারেনি।’ এমনকি মজা করে অনেকে এটাও লেখেন যে, ‘হয়তো তিনি ভাবছিলেন পরে চায়ের সাথে কী খাবেন।’ বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনাও হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে।
মিম হয়ে যাওয়ার পরও ভিক্টোরিয়া এটি নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া দেখাননি। কিন্তু বেকহ্যাম এক পোস্টে হাসির ইমজি দিয়ে কমেন্টে লিখছেন, ‘ভিক্টোরিয়া মনে মনে উদযাপন করেছেন।’

