ঘুষের মামলায় দণ্ডিত সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।
রোববার ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এইচ এম রুহুল ইমরান জামিন আবেদন নাকচ করে সাবেক বিএনপি নেতা হুদাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে নাজমুল হুদা হাইকোর্টের নির্দেশে রোববার সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্ট ঘুষ গ্রহণের মামলায় সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতের দেয়া ৭ বছরের কারাদণ্ডের সাজা কমিয়ে ৪ বছর করে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করে।
এতে তাকে ৪৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়। বেঁধে দেয়া সময়ে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের কথাও বলা হয়।
জানা যায়, সাপ্তাহিক ‘খবরের অন্তরালে’ পত্রিকার নাম করে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এ মামলায় নাজমুল হুদাকে সাত বছরের সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। ২০১৭ সালে হাইকোর্ট তার সাজা কমিয়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেয়।
নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর হাই কোর্টের ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে ৪৫ দিনের মধ্যে নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।
খালেদা জিয়ার সরকারের দুই বারের মন্ত্রী নাজমুল হুদা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। পরে বিএনপি থেকে বেরিয়ে তিনি প্রথমে বিএনএফ গঠন করেন, ওই দলের কর্তৃত্ব হারানোর পর তিনি গঠন করেন তৃণমূল বিএনপি।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিয়ে ঢাকা-১৭ আসন থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাদশ সংসদ নির্বাচন করে হেরে যান।








