অবৈধভাবে চাল মজুদের জন্য খাদ্যমন্ত্রী ১৬ হাজার মিল মালিককে দায়ী করলেও চাল মিল মালিক সমিতির দাবি, ১৬ হাজার নয় বরং ৮ থেকে ১০ জন মিল মালিক চাল মজুদ করে বাজারে অস্থিরতা তৈরী করেছে। আর সঠিক সময়ে চাল না কিনে এ মজুদের সুযোগ করে দিয়েছে খোদ খাদ্য অধিদপ্তর।
সমিতির সভাপতি বলছেন, অসাধু সেই মিল মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় চালের কৃত্রিম সংকট তৈরী হয়েছিলো।
তাদের অভিযোগ, খাদ্য অধিপ্তর সঠিক সময়ে চাল কিনে মজুদ করলে অসাধু মিল মালিকরা সুযোগ পেতো না। মন্ত্রণালয়ের দুদিনের আগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি গুদামে ৩ লাখ ৩২ হাজার টন চাল মজুদ রয়েছে।
হাওরে বন্যায় বোরোর ফসল নষ্ট হলে দেশে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠে। দাম বাড়িয়ে অধিক মুনাফার আশায় কিছু দেশী চাল মিল মালিক মজুদদারি করে। পাইকাররা বলছেন, তারা প্রথমে বুঝতে না পারলেও এখন বুঝতে পারছেন অতিরিক্ত দাম বাড়ায় কারসাজি ছিল।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







