২০১৬ অলিম্পিকে কয়েকটি ইভেন্টে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ৯০ দিনের মশাল যাত্রাতেও উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতেও এবার উঠবে অলিম্পিক মশাল।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় প্ল্যানালতো প্যালেসে মের ৩ তারিখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফের উপস্থিতিতে অলিম্পিক মশাল প্রজ্জ্বলন করা হয়, বাজেটে কারসাজির অভিযোগে রুসেফ বর্তমানে বরখাস্ত রয়েছেন।
অলিম্পিকের জন্মশহর গ্রিসের অলিম্পিয়াতে রিও অলিম্পিক ২০১৬-এর ঐতিহ্যবাহী মশাল প্রজ্জ্বলন আনুষ্ঠান হয় ২১ এপ্রিল। এরপর ৩ মে থেকে ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া থেকে শুরু হয় মশাল যাত্রা। তিন মাসের যাত্রায় দেশটির তিনশোরও অধিক শহর প্রদক্ষিণ করবে মশালটি। মশাল বাহকদের চরিত্রেও রয়েছে বৈচিত্র। খেলাধুলাসহ নানা ক্ষেত্রে বিজয়ীদের হাতেই উঠেছে-উঠবে অলিম্পিকের মশাল।
এখন পর্যন্ত মশাল শোভা পেয়েছে বিশ্ব সেরা সাঁতারু, শতবর্ষীয় নারী, সামাজিক মাধ্যমে তারকা খ্যাতি পাওয়াসহ জীবনযুদ্ধে বিজয়ী অনেকের হাতে। ৫ আগস্ট মারাকানা স্টেডিয়ামে অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমাপ্ত হবে মশাল যাত্রার। আর রিওতে মশাল যাত্রার শেষ ধাপে তা বহন করবেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সাঁতারে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন রাফায়েল দুয়িন রয়েছেন মশাল বহনকারীদের মধ্যে। ১২ বছর ব্রাজিলকে প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।
১৬ বছর বয়স থেকেই রিও দাস অস্ট্রাসের অধিবাসী শতবর্ষীয় ফ্লোরিসবেলা লিমা (১০২) সেখানেই মশাল বহনের সম্মান লাভ করেন।
সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবের তারকা কিশোরী রেবেকা পাইরও মশাল বহনের সম্মান লাভ করেন। ১ লাখেরও বেশি ফলোয়ার থাকা রেবেকা তার চ্যানেলে আধুনিক ব্রাজিলিয়ান টিন এজার সম্পর্কিত নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।
অলিম্পিক মশাল ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়াসহ পিরেনোপোলিস, ইতাবেরাই, ইপামেরি, পিরাপোরাসহ দেশটির তিনশোরও অধিক শহর প্রদক্ষিণ করবে।








