মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাসদ নেতা কাজী আরিফের হত্যাকারী তিন আসামীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে।
রাত ১১টা ১ মিনিটে ২ জনের ফাসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন আনোয়ার
হোসেন ও রাশেদুল ইসলাম ঝন্টু। এর পরে রাত ১১টা ৪৫ হয় তৃতীয় আসামী শাফায়েত হোসেন
হাবিবের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই ৩ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় তাদের পরিবারের কাছে।
১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার
দৌলতপুরে জাসদের সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত হন জাতীয়
পতাকার অন্যতম রূপকার কাজী আরেফ আহমেদ।
এই ঘটনায় নিহত হন কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলীসহ আরো ৫ জন।
আলোচিত এ হত্যা মামলায় কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০০৪ সালে ১০ আসামির ফাঁসি ও ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।
পরে আসামিপক্ষ আপিল করলে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত একজন ও যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১২ আসামিকে খালাস দেন উচ্চ আদালত।
তিন ঘাতকের ফাঁসি কার্যকর হতে যাওয়ার খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও রাজনৈতিক নেতাসহ কুষ্টিয়ার মানুষ।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ৫ আসামি হলেন- মান্নান মোল্লা, জালাল ওরফে বাশার, রওশন আলী, বাকের আলী ও জাহান আলী পলাতক। এদের খুঁজে বের করে দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবি নিহতের পরিবার ও জাসদ নেতাদের।






