কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চলে ঝড়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে ৭২টি আনন্দ স্কুল চালু করলেও থেমে আছে কার্যক্রম। নামমাত্র ভাড়া করা স্কুল ঘর থাকলেও সেখানে নেই কোন শিক্ষা কার্যক্রম। উপবৃত্তি আর উপকরণের অর্থ নিয়েও চলছে অনিয়ম।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের একটি চরের নাম চরকাঠগিরি। এ চরের জামাল মণ্ডলের বাড়ির একটি ভাড়া ঘরে চলে চরকাঠগিরি আনন্দ স্কুল। স্কুলের জন্য নির্ধারিত ঘর থাকলেও নেই কোন আসবাবপত্র, শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়টির নানা অব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বাড়ির মালিকের।
পার্শ্ববতী চর বোয়ালমারী আনন্দ স্কুলেরও একই চিত্র।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রকল্পের আওতায় ২য় পর্যায়ে নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চলে ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয় ৭২টি আনন্দ স্কুলের কার্যক্রম। স্কুলগুলোর কার্যক্রম চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। সে অনুযায়ী শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন-ভাতা, শিক্ষা উপকরণ ও উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করলেও শিক্ষা কার্যক্রমে কোন ভূমিকা রাখছে না।
চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারি এ উদ্যোগকে কার্যকর করার দাবি চরাঞ্চলের মানুষের।
দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:










