দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৬৯৯তম দিনে শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৫২৪ জন।
এই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৫২ জন। শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছেন ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মত এবং গত ২০ নভেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো করোনায় মৃত্যুহীন দিন দেখে বাংলাদেশ। আর গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ৩৯ হাজার ৪৪৫টি পরীক্ষায় ৯ হাজার ৫২ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৪০ লাখ ৮৪ হাজার ৪৭০টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৫১৪টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ছয় হাজার ২শ ২৮ জনসহ মোট ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭৪ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৪ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। তাদের হাসপাতালে (সরকারি ২৭, বেসরকারি ৩) মৃত্যু হয়েছে। মৃতের মোট সংখ্যা ২৮হাজার ৫২৪জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২৪ হাজার ২০৩ জন, যার শতকরা হার ৮৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন তিন হাজার ৫০৭ জন, যার শতকরা হার ১২ দশমিক ২৯ শতাংশ। বাসায় ৭৭৯ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৭৩। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৫ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১২ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ২১৪ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং ১০ হাজার ৩১০ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।
বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ জন, খুলনা বিভাগে ২ জন, সিলেটে ৩ জন ও বরিশাল ১ জন।
ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৩৮ কোটি ৮৯ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৭ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৩০ কোটি ৮২ লাখের বেশি।







