ব্রাজিলের ২০০ বছরের পুরনো ন্যাশনাল মিউজিয়ামে অগ্নিকাণ্ডের জন্য জাদুঘরের তহবিল কাটছাঁটের কারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ভবনের ব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিবিসি জানায়, রোববার এই অগ্নিকাণ্ডে রিও ডি জেনিরোতে নয় পুরো ল্যাটিন আমেরিকার বৃহৎ একটি জাদুঘরে নৃতাত্ত্বিক ও প্রাকৃতিক ইতিহাস সংরক্ষণের ভাণ্ডারের বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে।
২ কোটির অধিক জাদুঘরের ন্যাচারাল হিস্ট্রি কালেকশনের মধ্যে ছিল ডাইনোসরের হাড় এবং ১২ হাজার বছর আগের এক মানুষের মাথার খুলি।
জাদুঘরের কর্মকর্তা বলছে, দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ভবনটির জন্য আমাদের কোন পর্যাপ্ত সমর্থন ছিল না, অনেক বছর ধরেই বিশেষজ্ঞরা ভবনটিকে গুরতর অগ্নি ঝুঁকির জন্য সর্তক করে আসছিল।
তবে এই অগ্নিকাণ্ডের জন্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মারিয়া সিলভা জাদুঘরের অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের সমালোচনা করেন।
ধারণা করা হচ্ছে, জাদুঘর বন্ধ হওয়ার পর আগুন লাগে এবং তা পুরো ভবনে ছড়িয়ে পরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ জানা না গেলেও।
সংস্কৃতি মন্ত্রী সারগিও সা লেটাও ব্রাজিলের গণমাধ্যমে তার শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, জাদুঘরটির ছাদে রোববার কাগজের তৈরি ছোট হট এয়ার বেলুন অবতরণ করেছিল। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে জিওয়ান নামের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম।
ইতিহাসবিদরা এ ঘটনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্যই একটি অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখছেন।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মাইকেল টিমার তাৎক্ষণিক এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‘ব্রাজিল তার জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত অসংখ্য মূল্যবান সম্পদ হারালো’।
তিনি আরো বলেন, এর মধ্য দিয়ে প্রায় ২০০ বছর ধরে সংরক্ষণ করা কাজ,গবেষনা আর জ্ঞান হারিয়ে গেল। যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব কোন কিছু দিয়েই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।







