আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের ভেন্যু সংখ্যা কমানো হয়েছে। ঢাকার বাইরে কুমিল্লা, রাজশাহী, গোপালগঞ্জ ও সিলেটে খেলা হওয়ার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনকহারে বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এসব স্থানে আসরের ম্যাচ আয়োজন করা হবে না।
শনিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এক জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে ঢাকা ও তার আশেপাশের চারটি ভেন্যুতে প্রিমিয়ার লিগের খেলা মাঠে গড়াবে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা, টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ স্টেডিয়াম, মুন্সিগঞ্জের শহীদ লে.মতিউর রহমান স্টেডিয়াম এবং ঢাকার বনানীস্থ আর্মি স্টেডিয়ামে লিগের খেলাগুলো আয়োজন করবে বাফুফে।
বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘আমাদের ভেন্যুগুলো প্রস্তুত ছিল। তবে এই করোনা পরিস্থিতি ও সরকারের বিধিনিষেধ মেনে দলগুলোর ঢাকার বাইরে গিয়ে থেকে আবার ফিরে আসার পরিবর্তে আমরা ঢাকার আশেপাশে খেলার আপাতত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ক্লাবগুলো এতে সম্মত হয়েছে।’
পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। রাজশাহী আমাদের ভেন্যু ছিল। সেখানে সংক্রমণের হার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। এই চার ভেন্যু সাময়িক এই পরিস্থিতির জন্য। অবস্থার উন্নতি ঘটলে তখন আবার আবার সাত ভেন্যুতে চলে যাব।’
দলগুলোর হোম ভেন্যু হিসেবে কয়েকটি মাঠকে নির্বাচিত করা হলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান থেকে এসেছে বাফুফে। এ বিষয়ে দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এখন কোনো ক্লাবের নিজস্ব ভেন্যু থাকবে না। চারটি ভেন্যুই বাফুফের ব্যবস্থাপনায় থাকবে। সব ভেন্যুতে সব দলের সমান ম্যাচ থাকে যেন ফিকশ্চারে সেটা নিশ্চিত করা হবে।’
চার ভেন্যুর মধ্যে রয়েছে বসুন্ধরা কিংসের নিজস্ব মাঠ। তবে লিগ চলাকালীন সময়ে ভেন্যু বাফুফের ব্যবস্থাপনায় থাকবে। বসুন্ধরা অন্য দলকে নিজেদের ভেন্যু ব্যবহারের সুযোগ দেবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘সভায় তাদের প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমরা তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেবো।’
আগামীকাল রোববার দুপুর ১টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের পৃষ্ঠপোষকের সঙ্গে বাফুফের চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠান হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে সোমবার টুর্নামেন্টের সূচি নির্ধারণ করা হবে।








