কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে চীন। বেইজিংয়ে ইন্টারপোলের সাধারণ সভায় বাংলাদেশের আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সাথে চীনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সহায়তা চান দেশটির পুলিশ প্রধান ও পাবলিক সেফটি মন্ত্রাণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ওয়াঙ জিয়াওঙে।
পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পিআর) সহেলী ফেরদৌস বিষয়টি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বৈঠকে চীনের পক্ষ হতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নমুখী ও স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিশেষ করে জঙ্গি তৎপরতা দমনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।
‘চীনের ভাইস মিনিস্টার কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা নিতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি চীনে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম সম্পসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বাড়ানোরও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।’
আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বৈশ্বিক নিরাপত্তায় চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি জঙ্গি তৎপরতা দমনে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং এ নীতির আলোকে সস্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে চীনকে অবহিত করেন।
আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অন্যান্য সামাজিক অপরাধ দমনের সাফল্য এবং এ সম্পর্কে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
এছাড়াও বৈঠকে উভয় পক্ষ গত বছরের অক্টোবর মাসে চীনের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরকালে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে জঙ্গিবাদ মোকাবেলার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুদেশের পুলিশের মধ্যে চলমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।







