১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। বিশ্বব্যাপী ২০১২ সালে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে এই দিবসটি পালন করে আসছে।
ইউনেস্কো মহাসচিব মিজ ইরিনা বোকোভার দেয়া বার্তা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস ২০১৮-এর প্রতিপাদ্য ‘মেয়েদের ক্ষমতায়নে জরুরি সহায়তা ও প্রতিরোধ পরিকল্পনা’। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র গুলো প্রতি বছর এ দিবসটি পালন করে। আসছে।
মূলতঃ মেয়েদের শিক্ষার অধিকার, পরিপুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বলপূর্বক বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে এ দিবসের সূচনা করা হয়।
বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের ‘কারণ আমি একজন মেয়ে’ (Because I Am a Girl) নামক আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে এই দিবসের ধারণা আসে।
এই আন্দোলনের মূল কার্যসূচি হল গোটা বিশ্বজুড়ে কন্যার পরিপুষ্টি সম্পর্কে জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই সংস্থার কানাডার কর্মচারীরা সকলে এই আন্দোলনকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠা করতে কানাডা সরকারের সহায়তা নেয়।
কানাডাই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালনের প্রস্তাব দেয়।
পরে ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। ফলে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন করা হয়।
প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘বাল্যবিবাহ বন্ধ করা’।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কমিউনিকেশন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ “গার্লস টেক ওভার” কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে একজন কিশোরী বা যুব নারীকে নেতৃত্ব প্রদানকারীর ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করা হয়। এতে তাদের মধ্যে বড় হওয়ার,ভালো কিছু করার স্বপ্ন তৈরি হয়, আত্মবিশ্বাস বাড়ে।








