ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এবার সেঞ্চুরির ছড়াছড়ি। ম্যাচ বাকি চারটি। এরইমধ্যে হয়ে গেছে ঢাকা লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ সংখ্যক, ৪৭টি সেঞ্চুরির রেকর্ড। ব্যাটসম্যানরা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে পঞ্চাশের মাইলফলক ছুঁতে পারে শতক সংখ্যা। এপর্যন্ত হওয়া প্রত্যেকটি সেঞ্চুরি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন তামিম ইকবাল।
‘এটা (৪৭ সেঞ্চুরি) অবশ্যই ইতিবাচক ইঙ্গিত। আপনি যেখানেই রান করুন না কেনো, সেটা বড় ব্যাপার, বোলারদের মান কেমন ছিল সেটা বড় নয়। রান করাটাই বড় কথা। অনূর্ধ্ব-১৩ দল হোক বা জাতীয় দল, রান করা সহজ কাজ নয়। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া রান করা যায় না। ৪৭টি সেঞ্চুরি অনেক বড় ব্যাপার। আশা করি সামনের বছর আরও বাড়বে।’
প্লেয়ার্স ড্রাফটে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রে নাম লেখালেও প্রিমিয়ার লিগ খেলা হয়নি তামিমের। নিধাস ট্রফিতে হাঁটুতে চোট পাওয়ায় লিগের শেষদিকে নামার সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। জাতীয় দলের এই ওপেনার খেলতে পারেননি একটি ম্যাচও। তবে লিগের খোঁজ-খবর ঠিকই রেখেছেন।
‘খেলোয়াড়দের কাছে শুনেছি, এ বছরের উইকেট খুব ভাল ছিল। তরুণরা যদি আরো একটু ভাল করতো, ভাল হতো। কিন্তু একেবারে যে ভাল করে নাই, সেটা বলা ভুল হবে। বিজয় (এনামুল হক) রান করেছে, শান্ত (নাজমুল হোসেন) কিছুটা রান করেছে। এটা বলতে পারেন, আরো বেশি তরুণরা যদি রান করতো, তাহলে আরো ভাল হতো। আসলে অতোটা খেলা দেখা হয় নাই, সুতরাং খুব বেশি কথা না বলাই ভাল।’
তামিম ছাড়াও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমে সাকিব-মাহমুদউল্লাহ খেলেননি একটি ম্যাচও। নিধাস ট্রফির পর লিগ যখন শেষের পথে, তখন নিজ নিজ দলে যোগ দেন সৌম্য-মুশফিকরা। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলার সুযোগ পাননি সাব্বির। জাতীয় দলের তারকা ব্যাটসম্যানদের পায়নি লিগ। তবুও একটুও কমেনি লিগের উজ্জ্বলতা। ৪৭টি সেঞ্চুরিই যেন তা প্রমাণ করে।








