রান আটকে রাখা গেছে। তবে ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলতে পারছেন না বোলাররা। তাতে চাপ বাড়ছে বাংলাদেশের। ২৫০ রানের লক্ষ্যে সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামা আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান।
৭৮ বলে আফগানদের দরকার ১০১ রান, হাতে ৭ উইকেট। হাসমতউল্লাহ শাহিদী ৫৬ রানে অপরাজিত আছেন। অধিনায়ক আসগর আফগান তাকে দিয়ে যাচ্ছেন দারুণ সঙ্গ। তাতে চাপ বাড়ছে টাইগার বোলারদের।
মাঝারি পুঁজি নিয়ে বোলিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই আফগানিস্তানের ২ উইকেট তুলে প্রভাব বিস্তার করেছিল। সেটি ধরে রাখা যায়নি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৩ ও চতুর্থ উইকটে জুটিতে অবিচ্ছিন্ন থেকে ৬০ রান যোগ করে ভালো অবস্থানে চলে গেছে এশিয়া কাপে এখনও হারের মুখ না দেখা আফগানিস্তান।
আবু ধাবিতে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেটের দেখা পেয়ে যেতে পারতেন অভিষিক্ত স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে মোহাম্মদ শেহজাদের ক্যাচ ছাড়েন মিড-অনে দাঁড়ানো মোহাম্মদ মিঠুন। আফগানদের দলীয় সংগ্রহ তখন ১৮ রান। আর শেহজাদের ৯।
ওপেনিং জুটি ভাঙতে অবশ্য সময় লাগেনি। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান এসেই ফেরান ইহসানউল্লাহকে (৮)। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। আফগানদের সংগ্রহ তখন ২০ রান।
বাংলাদেশ দল দ্বিতীয় সাফল্যের দেখা পায় সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে। অপুর পরের ওভারে ব্যাকফুটে জোরের উপর কাট শট খেলেন শেহজাদ। সাকিব গালি থেকে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে বল তালুবন্দী করে ননস্ট্রাইক প্রান্তে সরাসরি থ্রো’তে রান আউট করেন রহমত শাহকে (১)।
২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া আফগানিস্তানকে পথ দেখিয়ে যান শুরুতে জীবন পাওয়া শেহজাদ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেন ৫৩ রান। দলীয় সংগ্রহ তখন ৮৯।







