কক্সবাজার-চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিভাগের কক্সবাজারের চকোরিয়ায় বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া আরো ৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলায় বন্যায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সড়কের উপর পানি প্রবাহিত হওয়ায় গত ৫ দিন ধরে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়ক, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, চকরিয়া-মগনামা সড়কের যোগযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
কক্সবাজার জেলায় বন্যাদুর্গত এলাকায় ১৪১টি আশ্রয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্রে এপর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ দূর্গতকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, ফটিকছড়ি, বাঁশখালী ও আনোয়ারাসহ বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ৫ দিন ধরে প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি।
সাতকানিয়া, হলদিয়া থেকে বাজালিয়া পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার সড়ক চার থেকে পাঁচ ফুট পানিতে ডুবে যাওয়ায় ৫ দিন ধরে চট্টগ্রামের সাথে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্যায় ভেসে গেছে শত শত একর জমির ফসল এবং চিংড়ি ঘের। এ পরিস্থিতিতে দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা ডেকেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।






