কক্সবাজারের মহেশখালীতে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা এক প্রার্থীর সমর্থকদের হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন। এসময় সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এর প্রতিবাদে নির্বাচন চলাকালে সাংবাদিকরা ব্যতিক্রমী এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন।
বুধবার রাতে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের ৯ নাম্বার কেন্দ্রের পাশে ললিয়ার ছড়া নামক স্থানে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেকের সর্মথকরা হামলা চালায় বলে আহত সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন।
প্রতিবাদ সভা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ছিনিয়ে নেওয়া ক্যামেরা ল্যাপটপসহ মালামালগুলো উদ্ধারের দাবি জানানো হয়।
ওই সন্ত্রাসী হামলায় যমুনা টেলিভিশন, এশিয়া টেলিভিশন, চট্টগ্রামের সিপ্লাস টেলিভিশনের ক্যামেরা পারসনসহ ৩ সাংবাদিক আহত হয়।
মহেশখালীর প্রবীণ সাংবাদিক দৈনিক আমাদের সময় ও আজাদির প্রতিনিধি এসএম ফরিদুল আলম দেওয়ান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, চ্যানেল আই ও দৈনিক আমাদের সময়ের স্টাফ রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি তৌফিকুল ইসলাম লিপু, বাংলা টিভির প্রতিনিধি ও মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব রোকন,মহেশখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাকের মহেশখালী প্রতিনিধি আবুল বশর পারভেজ।
বক্তারা বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সরকার যেখানে সংবাদ মাধ্যমকে স্বাধীনতা দিয়েছে, সেখানে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাটি তারা শুনেছেন এবং এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, শাপলাপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন, সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনে ৭০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।










