কক্সবাজার থেকে: একটা সময় প্রবল সম্ভাবনার সন্ধানই করা হতো তাদের মাঝে। একজন রয়ে-সয়ে সুযোগ পেলেও অন্যজন নিয়মিতই ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে। কিন্তু মুমিনুল হক ও নাসির হোসেনের বাস্তবতা এখন লম্বা সময় রঙিন পোশাকে খেলতে না পারা। তবে চলতি ইমার্জিং কাপে ভালো করে ওয়ানডের দলে ফেরার রাস্তাটা তৈরি করতে পারেন এই দুই ক্রিকেটার। মিনহাজুল আবেদিন নান্নুও সেটাই চান। প্রধান নির্বাচক বললেন, ভালো খেলে জাতীয় দলে ফিরুক মুমিনুল ও নাসির।
২০১৬ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে খেলেছিলেন নাসির। মুমিনুল সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৫ বিশ্বকাপে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। জাতীয় দলের জার্সিতে মুমিনুল ২৬ ও নাসির খেলেছেন ৫৮টি করে ওয়ানডে। ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে দুই তারকা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশকে। মুমিনুল অধিনায়ক, নাসির সহ-অধিনায়ক।
ইমার্জিং কাপে দুই ক্রিকেটারকে গুরুত্ব দেয়ার বড় কারণ তাদের ফর্ম ফিরিয়ে আনা। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু সেটাই বললেন। বাংলাদেশ-হংকং ম্যাচ দেখতে সোমবার কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আসেন মিনহাজুল আবেদিন।

ম্যাচে দাপুটে জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রধান নির্বাচক বললেন, ‘মুমিনুল টেস্টে নিয়মিত খেলছে। ওয়ানডেতেও একটা সময় নিয়মিত ছিল। কিন্তু মাঝখানে বাদ পড়েছে। মুমিনুলকে নিয়ে আমরা ওয়ানডেতেও চিন্তা করছি। তাই সে ভালো খেলে যেন কামব্যাক করতে পারে সেজন্যই এই টুর্নামেন্টে খেলানো। এখানে পারফর্মার মুমিনুলকে দেখতে চাই। নাসিরও একটা সময় জাতীয় দলে নিয়মিত ছিল। কিন্তু পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়ে গেছে। আশা করবো এই ধরনের টুর্নামেন্টগুলোতে ভালো খেলে সেও কামব্যাক করবে।’
হংকংয়ের বিপক্ষে ভালো করেছেন দুজনই। নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ২১ রানের আত্মবিশ্বাসী ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে হওয়ায় ব্যাটিংয়ের সুযোগ হয়নি নাসিরের। হংকংয়ের করা ১২৫ রান মাত্র ১৬.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই টপকে যায় বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় সঙ্গী হয়েছে মুমিনুল-নাসিরদের।









