অবশেষে ঘরের মাঠে একটা জয়ের দেখা পেল নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ভারতের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়া কিউইরা ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩৪৮ রান তাড়া করে জয় তুলেছে ৪ উইকেটে।
বুধবার হ্যামিল্টনে প্রথমে ব্যাট করে শ্রেয়াস আয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি ও বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুলের ফিফটিতে ৩৪৭ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ভারত। আয়ারের হাসি ম্যাচের শেষে থাকেনি, হেরেছে রস টেলরের অভিজ্ঞতার কাছে। কিউই তারকার ২১তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি স্বাগতিকদের নোঙর করিয়েছে জয়ে।
সেডন পার্কে রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে মায়াঙ্ক আগারওয়ালের সাথে ভারতের ব্যাটিং শুরু করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন পৃথ্বী শ। দুজনে ব্যক্তিগত ইনিংস বড় করতে না পারলেও এনে দেন ৪৮ বলে ৫০ রানের ঝড়ো শুরু।
পৃথ্বী ২০ ও আগারওয়াল ৩১ করে আউট হওয়ার পর রানের চাকা শ্লথ হতে দেননি অধিনায়ক কোহলি ও আয়ার। দুজনের তৃতীয় উইকেট জুটিতে এসেছে ১০২ রান।
৬৩ বলে ৫১ রান তোলার পর কোহলিকে হারানোর পর উইকেটে আসেন লোকেশ রাহুল। টি-টুয়েন্টির ফর্ম ওয়ানডেতেও ধরে রেখেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। শ্রেয়াস আয়ারের সঙ্গে তার ১৩৬ রানের জুটি ভারতকে দিয়েছে বিশাল সংগ্রহ।
১১ চার ও এক ছক্কায় ১০৭ বলে ১০৩ রান করে ফিরেছেন আয়ার। রাহুল ছিলেন অপরাজিত। ৬৪ বলে তার ৮৮ রানের মারদাঙ্গা ইনিংসে ছক্কা ৬টি, চার ৩টি।
বড় রান তাড়ায় নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও হেনরি নিকোলস ৯৪ বলে তুলেছেন ৮৫ রান। জুটি ভেঙে আগে ফিরেছেন গাপটিল, ৩২ রান করে। কিছুক্ষণ বাদে ৯ করে টম ব্লান্ডেল ফিরে গেলে চাপে পড়ে কিউইরা।
পরিস্থিতি পাল্টায় রস টেলর নামার পর। নিকোলসের সঙ্গে ৬২ রানের জুটি তার। ৭৮ রান করে নিকোলস আউট হয়ে ফিরলে জায়গাটা নেন কেন উইলিয়ামসের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া টম ল্যাথাম।
ল্যাথাম খেলেছেন অধিনায়কের মতই। টেস্টে ধীরগতিতে ব্যাট করা ব্যাটসম্যান ওয়ানডেতে খেলেছেন ৪৮ বলে ৬৯ রানের ঝড়ো ইনিংস। টেলরের সঙ্গে তার ১৩৮ রানের জুটি ভারতকে ছিটকে দেয় ম্যাচ থেকে।
ল্যাথাম ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন টেলর। টি-টুয়েন্টি সিরিজে একাধিকবার ম্যাচ জয়ী পরিস্থিতিতে থেকেও জয় এনে না দিতে পারার ব্যর্থতা ওয়ানডেতে মিটিয়েছেন তিনি। অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান ৮৪ বলে ৪ ছক্কা ও ১০ চারে খেলেছেন ১০৯ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস।










