বিএনপি চায় প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার রাজনীতি ভুলে উন্নয়ন, কল্যাণ, জনকল্যাণের লক্ষ্যে ঐক্যের রাজনীতি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এ কথা বলেন।
বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ওই আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন অভিযোগ করে বলেন,‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার জন্য উন্মাদের মতো বলে বেড়াচ্ছেন আমাদের দল ক্ষমতায় আসলে প্রশাসনের কারো চাকরি থাকবে না। কিন্তু বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, প্রশাসন সব করছে হাসিনার নির্দেশে। তাই হাসিনাকেই সব দায়দায়িত্ব নিতে হবে।
কুইকরেন্টালে দুর্নীতির ক্ষতি পোষাতেই গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর অভিযোগ করেন তিনি।
দেশ সংকটে আছে দাবি করে সংকট উত্তরণে যে নামেই হোক নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করে তিনি বলেন, “আমরা শুধু চাই একটা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন গঠন করতে হবে।”
একইসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্যের রাজনীতির ডাকও দেন খালেদা জিয়া।
“সরকার আসবে, সরকার যাবে। এদেশে কিন্তু মাত্র দুটি দলই আছে- বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। কাজেই কোনো সময় আওয়ামী লীগ কোনো সময় বিএনপি, সেটারই রদবদল হতে থাকবে। আসুন উন্নয়নের রাজনীতি করি, জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করি। গুম-খুন-হত্যা বন্ধ করে, মামলা-হামলা বন্ধ করে সামনে দিকে দেশটাকে এগিয়ে নিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিন।”
ছাত্রলীগ-যুবলীগকে মানুষ পেটানোর লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া।
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য আসম হান্নান শাহ, জমির উদ্দিন সরকার ও যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল হালিম, জয়নাল আবেদীন, আফরোজা আব্বাস, সানাউল্লাহ মিয়া, ফজলুল হক মিলন, গিয়াস কাদের চৌধুরী, খায়রুল কবীর খোকন, আবদুস সালাম আজাদসহ অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।






