মি. ডিপেন্ডেবল কিংবা টেকনিক্যাল দিক থেকে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান সব সময় মুশফিকুর রহিম। কিন্তু শেষ সাত টি২০ ম্যাচে তার সংগ্রহ মাত্র ৭২ রান। অন্যদিকে অন্যতম বিশ্ব সেরা ক্রিকেটার ও টাইগারদের ভরসার প্রতীক হয়ে ওঠা সাকিব আল হাসানের শেষ দশ আন্তর্জাতিক ম্যাচে সংগ্রহ সর্বমোট রান ১৩৬। যা দু’জনের নামের পাশেই বেমানান।
এশিয়া কাপের পর ভারতের মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ এ দু’টাইগার সেনসেশন।
দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আজও তারা ফিরে গেছেন ৫ (সাকিব) ও ০ (মুশাফিক) রানে।
অথচ এ দু’জনই তো দেশের সেরা ব্যাটসম্যান। বিশ্বকাপের আগে কিংবা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে কি দুর্দান্ত ফর্মেই না ছিলেন এ দুজন। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজের প্রথম ম্যাচেই মুশফিক পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি। পরের দুই ম্যাচে ৬৫ ও অপরাজিত ৪৯। এরপর থেকেই তার ব্যাটে রান নেই।
ব্যাট হাতে সাকিবের ফর্মটা ভালো যাচ্ছে না আরও লম্বা সময় ধরে। গত জুনে ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজে পরপর দুই ফিফটি। এরপরই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন তিনি। শেষ ১০ ইনিংসে ১৩৬ রানের মধ্যে এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই করেছিলেন ৩২ রান।
বিশ্বকাপের মতো আসরে তাদের এমন নিষ্প্রভ পরফরমেন্স ভাবিয়ে তুলছে টাইগার ক্রিকেট ভক্তদের। কেননা, বাছাই পর্ব উতরে গেলেও বিশ্বকাপের মূল পর্বে দলের সেরা দু’খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ ছাড়া ভালো কিছু আশা করা কষ্টকর।






