গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ব্রিটিশ জনগণ রায় দেয়ার পর এবার ব্রিটেনকে ছাড়ার প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে স্কটল্যান্ড। একই রাস্তায় হাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে আয়ারল্যান্ডও। উত্তর আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের ভোটাররাই বিপুলহারে ইইউতে থেকে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
ব্রিটেন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার ও ক্ষমতাসীন এসএনপি’র নেত্রী নিকোলা স্টার্জিওন বলেছেন, স্কটল্যান্ডের ইইউ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়াটা ‘মেনে নেওয়া’ যায় না।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার বিষয়ে দ্বিতীয় গণভোট বিষয়টি আলোচনার টেবিলে আবার আনতে হবে। এটা অবশ্য আলোচনার টেবিলেই রয়েছে। পরবর্তী পার্লামেন্ট সভায়ই এই ব্যাপারে আইনি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।
ফলাফলের পর ইইউর জনগণের উদ্দেশ্য স্কটিশ নেত্রী বলেন, স্কটল্যান্ডকে আপনাদের ‘নিজের ঘর’ বলেই ভাববেন। এখানে আপনাদের উপস্থিতি গুরুত্বের সাথেই দেখা হবে।
এর আগে ২০১৪ সালে একবার স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার বিষয়ে গণভোট হয়েছিল। সেবার অবশ্য ভোটাররা ব্রিটেনের সাথে থাকার পক্ষেই ভোট দিয়েছিলো।
স্কটল্যান্ডের ফলাফল প্রায় পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পর নিকোলা স্টার্জিওন বলেছেন, এটি ¯স্পষ্ট যে, স্কটল্যান্ডের মানুষ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভেতরই নিজেদের ভবিষ্যৎ দেখতে পেয়েছে। গণভোটে স্কটল্যান্ডের ৩২টি এলাকাতেই জনগণ ইইউতে রয়ে যাওয়ার পক্ষে বেশি ভোট দেন। ৫২ শতাংশ ভোটার বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দিলেও স্কটিশ ৩২ এলাকায় ইইউতে থাকার পক্ষে ভোট দেয় ৬২ শতাংশ।
ফলাফল জানার পর স্টার্জিওন এক বিবৃতিতে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্যজুড়ে ‘রিমেইন’ ভোটে বড় ধরণের অবদান রেখেছে। এসএনপি এর পক্ষে ইতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে, তারই প্রতিফলন এটি। স্কটল্যান্ডের মানুষ এ ইতিবাচক বার্তায় সাড়া দিয়েছে।’
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাজ্য-জুড়ে পূর্ণ ফলাফলের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। কিন্তু স্কটল্যান্ড সন্দেহাতীতভাবে তার অবস্থান ব্যাক্ত করেছে।’








